কুমিল্লাতে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে স্ত্রী পালিয়ে গেল।

News Editor
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লায় ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গেছেন বারাপাড়া (চান্দ মন্দিরের সাথে হু মিয়ার বাড়ী সংলগ্ন) সাথী আক্তারের ঘরের ভাড়াটিয়া মোঃ শাহজাহানের স্ত্রী ফরিদা আক্তার (২৩)।

এ ঘটনায় ২ এপ্রিল ২০২৩ইং তারিখ স্বামী শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় তিন জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
আসামীরা হলো- সদর দক্ষিণ উপজেলার ভূশ্চি এলাকার আক্কাছ মিয়ার কন্যা ফরিদা আক্তার (২৩), আক্কাছ, হাজেরা বেগম হাজু।
অভিযোগ থেকে জানা যায়- শাহজাহানের ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সাংসারিক প্রয়োজনে কয়েক বছর পূর্বে সদর দক্ষিণ উপজেলার ভূশ্চি এলাকার আক্কাছ মিয়ার কন্যা ফরিদা আক্তার (২৩)কে সামাজিকভাবে বিবাহ করি।

ফরিদা আক্তার তার স্বামী শাহজাহানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে তার অন্যত্র বিবাহ হয়েছিল, সেই সংসার ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর শাহজাহানের সাথে ফরিদা আক্তার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। শাহজাহান একজন পেশায় গাড়ী চালক। তাদের দাম্পত্য জীবনে কোন সন্তানাদি নেই।

শাহজাহানের কষ্টার্জিত আয়ের টাকা স্ত্রীর হাতে দেন সে যখন যেই চাহিদা-আব্দার করতো তা পুরণ করতেন। ফরিদা আক্তা সন্তুষ্ট না হওয়ায় তার বাবা ও মায়ের উস্কানীতে ফরিদা আক্তার তার ভবিষ্যত উজ্জ্বল করবে বলে শাহজাহানের সাথে সংসার করতে অনীহা প্রকাশ করে। আমি তাকে বুঝিয়ে সংসার করতে থাকাবস্থায় আসামী আক্কাছ ও হাজেরা বেগম হাজু উষ্কানীতে ফরিদা আক্তার গত ৯ মার্চ ২০২৩ তারিখ বেলা অনুমান ০১.৩০ ঘটিকায় শাহজাহানের ঘর থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যায়।

বিষয়টি ফরিদার বাবা ও মা হাজেরা বেগম হাজুকে মোবাইল ফোনে জানালে তারা কোন প্রতিকারের ব্যবস্থা না নিয়া শাহজাহানকে নারী নির্যাতন আইনের মামলায় জড়িয়ে নাজেহাল করার হুমকি দিয়ে আসছে। স্ত্রী ফরিদা আক্তার সহ তার পরিবারের সদস্যরা শাহজাহানকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দেওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পরবর্তীতে শাহজাহান কোতয়ালী মডেল থানায় তার স্ত্রী,শশুর,শাশুড়ীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে স্বামী শাহজাহান মিয়া বলেন-দীর্ঘদিন সংসার করার পর স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হবে তা আমি ভাবতেও পারিনি। তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে। যাওয়ার সময় আমার কষ্টের অর্জিত নগদ ৫০ হাজার টাকা, মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে গিয়ে উল্টো আমাকে মামলা ও হামলার ভয় দেখায়। আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।