ছদ্মবেশি পাগলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হকনগর বাজার ও এলাকাবাসী

প্রকাশ: ১ বছর আগে

দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি। 

সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পার্বত্য অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সেক্টরে হকনগরে বেড়েছে অতিরিক্ত ছদ্মবেশী পাগল, এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হকনগর বাজার ও এলাকাবাসী। এসব পাগলদের মাঝে বেশিরভাগ হিন্দি কথা বলতে শুনা যায়, এসব ছদ্মবেশী পাগল মনে হয় বাংলাদেশের নাগরিক নয়, এরা বেশীরভাগ ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি দল বলে মনে করেন এই এলাকার বাসিন্দারা।

 

এদের দ্বারা হকনগর বাজার ও এলাকাবাসী সবচেয়ে বেশি কষ্ট এবং অত্যাচারিত, এর কারণ হলোঃ

এসব ছদ্মবেশী পাগলরা যেখানে সেখানে মল ত্যাগ করে, যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো বয়সের মানুষের সামনেই উলঙ্গ হয়ে যায়, এদের হাটা চলাফেরায় সবসময় প্রস্রাব পায়খানার দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষ শ্বাস প্রশ্বাস ফেলতে পারে না কষ্ট হয়। এবং ময়লা আবর্জনা ধুলাবালি ইট পাথর দিয়ে মানুষের শরীরে নিক্ষেপ করে, এসব অত্যাচারে এলাকাবাসী সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ। এসব ছদ্মবেশী পাগলেরা এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে, এবং রুগ জীবানু ছড়াচ্ছে।

 

এদের এইসব অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ চায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। এবং তারা লোকসমাগমে চলাচলের সময় হটাৎ উচু আওয়াজে চিতকার চেচামেচি করে উঠে, এদের চিৎকার চেচামেচি শুনে ছোট-বড় অনেকেই ভয়ে আতংকিত হয়ে যায়। এবং তারা সাধারণ মানুষ ঠিকঠাকমতো রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে পারে না। এবং এসব ছদ্মবেশী পাগলরা মানুষ দেখলেই দৌড়ান দেয়,ইত্যাদি ইত্যাদি। এমন নানানপ্রকার অভিযোগ উঠে এসেছে এই এলাকা থেকে।

 

এলাকা এবং হকনগর বাজারের পক্ষে ইছরাক আলী চৌধুরী বলেন, ছদ্মবেশী পাগলরা যা তা এক অবস্থা শুরু করেছে, ময়লা আবর্জনা প্রস্রাব পায়খানার দুর্গন্ধ বাজার হাটে চলাফেরা করা যাচ্ছে না। এবং তিনি আরও বলেন, এরা আমাদের এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে, আমরা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার সু দৃষ্টি কামনা করি, যাতে করে একটু শান্তিতে বসবাস করতে পারি।

 

হকনগর বাজার হোটেল ব্যবসায়ী গোলাম রাব্বানী বলেন, এসব ছদ্মবেশী পাগলরা আমার দোকানে এসে হৈ-হুল্লোড় করে পরিবেশ নষ্ট করে, তারপর দোকান থেকে দামী দামী জিনিস পত্র কেড়ে নিয়ে নেয়, এদের কে কিছু বলাই যায় না, বাংলা ভাষাও বুঝে না। আমরা সবাই একত্রে প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার সু দৃষ্টি কামনা করি। আমাদের কে এসব ছদ্মবেশী পাগলের অত্যাচার থেকে মুক্ত করুন, মুক্তি পেতে চাই আমরা।

 

নাইমুর রহমান বলেন, আমি রাস্তায় বের হয়েছি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবো এমন সময় দুইজন পাগল আমাকে ঘিরে ধরেছে টাকা দেওয়ার জন্য আমার কাছে কোন টাকা না থাকায় তারা আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছে এবং হিন্দি কথা বলে আরও কি কি বলেছে আমি তা সঠিক বুঝতে পারি নাই,অবশেষে কোনো রকম করে এদের কে সরিয়ে লুকিয় পালিয়ে যাই আমার গন্তব্যস্থলে। আমিও প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করি।

 

হকনগর বাজারের পান দোকানদারেরা বলেন, আমরা এদের জালা যন্ত্রনায় পান বেছতে পারিনা, এসব ছদ্মবেশী পাগলরা কোথায় থেকে আসে আর আমাদের দোকানের মালামাল ছুড়িয়ে ফেলে দেয়, আমরা আসলেই এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, আমরা সবাই এদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে চাই। প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করি।