
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও রাজশাহী-৫ আসনের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর সিদ্দিক বলেছেন, “২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে খুনি হাসিনার নির্দেশে ছাত্র-জনতার ওপর মরণাস্ত্র ব্যবহার করে হাজারো নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরলে এ সকল হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিতাড়িত হলেও তাঁর প্রেতাত্মারা—আওয়ামী লীগের কিছু দোসর—এখনও দেশের মাটিতে লুকিয়ে থেকে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি—এইসব ষড়যন্ত্রকারী দোসরদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার করুন।”
মঙ্গলবার বিকেলে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিজয় র্যালিপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “দেশের প্রয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তখন থেকেই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের মাথা নষ্ট হয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, অনেকেরই মাথা খারাপ। অতীতে যেমন কোনো অপশক্তি বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।”
তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আন্দোলনে শহীদ, আহত ও নির্যাতিত পরিবারগুলোকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষের খাদ্য, বস্ত্র ও কর্মসংস্থানের দায়িত্ব গ্রহণ করা হবে।”
সমাবেশ শেষে পুঠিয়া উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের করা হয়, যা উপজেলা সদর প্রদক্ষিণ করে।
এসময় জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এন্তাজুল হক বাবু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম মিন্টু, সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত, কৃষক দলের আহ্বায়ক রিপন রেজা, সদস্য সচিব মাহাবুবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ওয়াসিম আলী, জেলা যুবদলের সদস্য ফারুক হোসেন, যুবদল নেতা মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান জুয়েল, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক সানোয়ার হোসেন জনিসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST