বড়াইতলা ও বাইনচুটকি খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সাধারণ যাত্রী জিম্মি

প্রকাশ: ১ বছর আগে

মোঃ সরোয়ার; বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

 

বরগুনা জেলার বড়াইতলা ও বাইনচুটকি খেয়াঘাটে সরকার নির্ধারিত কোন ভাড়া তালিকা নেই। নেই কোন নিয়মনীতি। কেবল মাত্র নদী পারাপারের জন্য খেয়ায় চড়লেই গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। আর রাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। তখন নির্ধারিত ভাড়ার চার থেকে পাঁচ গুন ভাড়া আদায় করা হয় বলে অভিযোগ একাধিক যাত্রীদের।

 

পাথরঘাটা বামনা ও মঠবাড়িয়া খেয়াঘাট দিয়ে বরগুনা জেলা শহরে যাওয়া–আসার জন্য প্রতিদিন হাজারো যাত্রীর পারাপার। তবে এই খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারে সরকার নির্ধারিত কোন ভাড়া তালিকা টানায়নি ইজারাদাররা। ফলে ইচ্ছেমত খেয়া যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ভাড়া।

 

এমনই একটি চিত্র সোমবার ২২ শে মে সরে জমিনে বড়াইতলা ও বাইনচুটকি খেয়াঘাটে গিয়ে দেখা যায়, বরগুনা জেলা পরিষদের নির্ধারিত তালিকার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন ইজারাদাররা। জেলা পরিষদের তালিকায় জনপ্রতি ২০ টাকা। চালকসহ বাইসাইকেল ২২ টাকা, চালকসহ মোটরসাইকেল ৪০ টাকা। তবে এসব নির্দেশনা কাগজে কলমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। বর্তমানে খেয়ায় নদী পারাপার করতে জনপ্রতি নেওয়া হচ্ছে ৩০ টাকা এবং মোটরসাইকেল প্রতি ৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এ ছাড়াও যাত্রী হয়রানি, যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচারণ,অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অপর্যাপ্ত ও ত্রুটিযুক্ত ট্রলার দিয়ে নদী পারাপারসহ বিভিন্ন অভিযোগ যাত্রীদের।

 

বড়াইতলা খেয়াঘাটের যাত্রী রাবেয়া আক্তার বলেন, ২০ টাকার ভাড়া ২৫/৩০ টাকা নিচ্ছে। এবং রাত্রি হলেই যাত্রীদের জিম্মি করে ৫০ থেকে ৬০ টাকা করে ভাড়া নিচ্ছেন আমরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি।

 

এ বিষয়ে জানতে ২২ শে মে রাত্রি ৮টার সময় একটি যাত্রী ভর্তি ট ট্রলারে অভিযোগ বার্তা এর প্রতিনিধি একটি খেয়ায় উঠে পড়েন নদীর মাঝ বরাবর গিয়ে খেয়া কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন এবং যাত্রীদের জিম্মি করে ২০ টাকার ভাড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা করে নিচ্ছেন অভিযোগ বার্তা প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও খারাপ ব্যবহার করেন এবং সকল যাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন তারা বলছেন প্রশাসন কিছুই করতে পারবেনা প্রশাসন আমাদের হাতের মুঠোয় আমরা যা বলব তাই শুনবে, তোরা যাত্রীরা আমাদের কাছে জিম্মি বেশি বাড়াবাড়ি করলে রাত্রে ট্রলার চালাবো না, এরকম সাংবাদিক হাজার হাজার পকেটে, সরকার নির্ধারিত যাত্রী ভাড়া তালিকা না থাকায় ইচ্ছেমত ভাড়া আদায় করছে ঘাট ইজারাদার।

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এর সাথে অভিযোগ বার্তা এর প্রতিনিধি পরিচয় কথা হলে তিনি বলেন ইতিমধ্যে তাদের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে শোকজ করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাওসার আহমেদ এর সাথে অভিযোগ বার্তা প্রতিনিধি পরিচয় কথা হলে তিনি বলেন আমরা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

 

খেয়া পারাপারের সার্বিক বিষয় জানতে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান সাহেব এর সাথে অভিযোগ বার্তা প্রতিনিধি এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ভাড়া বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।