জামালপুর থেকে রমজান আলীর প্রতিবেদনেঃ
মেলান্দহ উপজেলার সাব রেজিস্টার কার্যালয় যেন অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ভরপুর। সাব- রেজিস্টার আবুল কালাম, কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া ভাবে চালিয়ে আসছে সাব রেজিস্টার কার্যালয়। প্রতিবাদ আর কৈফিয়ত নেওয়ার মতো দুঃসাহস নেই কারো। সপ্তাহে ২বার অথবা ১বার তাহার নিজ মর্জি মত চালিয়ে আসছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার গোপন ক্যামেরায় ধারনকৃত কিছুটা চিত্র। উক্ত অফিসে প্রতি দলিলে নেওয়া হচ্ছে সেরেশতা বাবদ ১হাজার টাকা, আবার প্রতি দলিলে টিপসহি বাবদ ১শত টাকা ও ভলিয়ম বই দেখতে ফিস নেওয়া হচ্ছে ১শত টাকা। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় সকাল ১১টা থেকে অফিস চলে রাত ৮টা পর্যন্ত। শত শত ভুক্তভোগী মানুষ সপ্তাহের পর সপ্তাহ হচ্ছে হয়রানি। অফিস চলাকালীন সময় রহস্য জনক কারনে, সাব রেজিস্টার আবুল কালাম প্রতি ঘন্টায়ে তার পার্সোনাল চেম্বারে রেস্ট নেওয়ার নামে চলে যায়। শুধু তাই নয়, পার্সোনাল চেম্বারে অনেক লোকজনের আনাগোনা ও যাতায়াত করতেও দেখা যায়। যার ফলে শত শত বৃদ্ধ যুবক ও অসুস্থ নর নারীকে অপেক্ষাপ্রহর গুনতে হয়।
এ যেন কায়েম করা হচ্ছে রাজার রাজত্ব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দলিল লিখক জানায়, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন জায়গায় দূর-দূরান্তে কমিশনে হচ্ছে দলিল। উক্ত অফিসে কতিপয় পিয়ন ও ঝাড়ুদার নাকি দোতলা তিনতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাসা বাড়ি তৈরী করেছেন অবৈধ টাকায় । বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপজেলার ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণের আর্তনাদ। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং দুদকের গোপন ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি করছেন উপজেলা বাসী।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার