নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত ৩৯৫ লিটার পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিনসাড়া বাজারে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে ওই পেট্রোল জব্দ করেন তিনি। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য উপজেলার খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। সেখানে দুই ড্রাম তেল থেকে এক ড্রাম বিক্রির পর আরেকটি ড্রামে থাকা পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার শাহাদত হোসেন বলেন, দুই ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান। পরে জনপ্রতি এক লিটার করে এক ড্রাম বিক্রি করেন। আরেক ড্রাম মান্নাননগর মটর শ্রমিক ফিলিং স্টেশনে বিক্রির কথা বলে তিনি নিয়ে যান।
এধরনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায় ও একজন কথা বলতে শোনা যায়, বিনসাড়া বাজারে জব্দকৃত এক ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে বিক্রি করা হয়েছে। আরেক ড্রাম ইউএনও স্যার নিয়ে যাচ্ছেন।
বিনসাড়া বাজারের মেসার্স মোল্লা এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহ আলম মোল্লা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ইউএনও। শুধু জরিমানা আদায়ের রশিদ দেওয়া হয়েছে। জব্দ হওয়া পেট্রোলের কোনো কাগজ দেওয়া হয়নি। ওইদিন রাত ১১ দিকে তেলের খালি ড্রাম ফেরত দিয়ে গেছেন।
জব্দ করা পেট্রোলের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান বলেন, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অপরাধে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। একই অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জব্দ হওয়া দুই ড্রাম তেল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে এক লিটার করে জনপ্রতি বিক্রি করা হয়েছে।