নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা |
কুমিল্লার একটি সরকারি দপ্তরে কর্মরত এক নারী কর্মীকে ‘অনৈতিক প্রস্তাব’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ওই নারী কর্মীর অভিযোগ, প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় তাকে বদলির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় দাপ্তরিক মহলে ও স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এসময় ভুক্তভোগী ওই নারী কর্মী অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে নিয়মিত বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ, অফিসের ‘উপরের রুমে’ দেখা করতে বলা হয়। তিনি সেই আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় এবং অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হন ওই কর্মকর্তা। এরপরই তাকে অন্যত্র বদলি করার জন্য চাপ প্রয়োগ শুরু করেন অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা।
এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। তিনি দাবি করেন, নিয়ম বহির্ভূত কোনো কাজের সুযোগ না থাকায় ওই নারী কর্মী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন এবং মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন। তিনি পুরো বিষয়টি ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে কুমিল্লার সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরে কর্মপরিবেশ এবং নারীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা বলেছেন: ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক। তদন্ত চলাকালীন ভুক্তভোগী নারীর কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই ঘটনাকে ঘিরে দপ্তরের অন্যান্য কর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জোরালো হচ্ছে।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার