ব্যুরো প্রধান সিলেট,লাকী আক্তারঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানকে ঘিরে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে একটি কুচক্রী মহল বালু মহাল ইস্যুকে কেন্দ্র করে ওসির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, উপজেলার হাজীপুর বালু মহাল নিয়ে ইদানীং এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজেদের ফায়দা লুটতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। প্রভাবশালী মন্ত্রীদের নাম ব্যবহার করে তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি ও অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। অথচ বিধি মোতাবেক বালু মহালের ইজারা বা তদারকির মূল দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের (ইউএনও এবং এসি ল্যান্ড)। পুলিশ সেখানে কেবল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দায়ভার কেবল ওসির ওপর চাপানোর চেষ্টা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান গোয়াইনঘাট থানায় যোগদানের পর থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে ‘মানবিক পুলিশিং’ এর এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং অপরাধ দমনে তার আপসহীন ভূমিকার কারণে তিনি অল্প সময়েই প্রশংসিত হয়েছেন। কিন্তু যারা লিজের শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে, তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে একটি মহল ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের গঠনমূলক সমালোচনা করেন এমন ব্যক্তিরাও ওসির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়ে সত্যকে ঢাকা দেওয়া সম্ভব নয়। গোয়াইনঘাটের উন্নয়নে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ওসির মতো একজন দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ‘নোংরা রাজনীতি’ বন্ধ হওয়া জরুরি।
সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, “আমরা সব সময় পুলিশের ভুল পদক্ষেপের সমালোচনা করি। কিন্তু যখন একজন নিষ্ঠাবান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হয়, তখন চুপ থাকা অন্যায়। আমরা ওসি মনিরুজ্জামানের পাশে আছি এবং এই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের দাবি জানাই।”
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার