মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে চিকিৎসা নিতে আসা এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে জেলা যুবদলের এক নেতার উদ্যোগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। অভিযুক্ত আমিনুর ইসলাম সদর উপজেলার ভাটবাউর গ্রামের আবু তাহের বাদলের ছেলে। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি দন্ত চিকিৎসা সেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভাটবাউর গ্রামের এক গৃহবধূ দাঁতের চিকিৎসার জন্য আমিনুর ইসলামের কাছে যান। চিকিৎসার ধারাবাহিকতায় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে স্থানীয়দের দাবি।
অভিযোগ রয়েছে, যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে আমিনুর ইসলাম ওই নারীকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে নারীর স্বামী স্থানীয়দের অবহিত করেন এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা যুবদলের এক জ্যেষ্ঠ নেতার বাসভবনে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হলেও ঘটনার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ওই নারীর স্বামী সুজনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনা পুরোটাই সত্য। আমি আমার স্ত্রীকে আর রাখবো না, ছেড়ে দেবো।”
সালিশে উপস্থিত জেলা যুবদলের এক নেতা জানান, সংশ্লিষ্ট নারীর একটি শিশু সন্তান থাকায় মানবিক দিক বিবেচনায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতার আচরণ অনৈতিক ও অনভিপ্রেত বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিষয়টি সংগঠনের উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন বলেন, আমিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার