বিশেষ প্রতিনিধি, গোয়াইনঘাট (সিলেট):
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী বিছনাকান্দি ও হাদারপার পয়েন্ট দিয়ে দিনে-দুপুরে অবাধে দেশে ঢুকছে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ জিরা ও কসমেটিকস। সীমান্ত কেন্দ্রিক এই বিশাল চোরাচালানের কারণে সরকার প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় একাধিক চিহ্নিত ডাকাত ও অপরাধী চক্র মিলে গড়ে তুলেছে এই শক্তিশালী চোরাচালান নেটওয়ার্ক।
স্থানীয় তথ্যানুযায়ী, গোয়াইনঘাট সদর থেকে বিছনাকান্দি সীমান্ত পর্যন্ত পুরো চোরাচালান রুটটি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ডাকাত কামরুল, ফখরুল ইসলাম ও জুয়েল সিন্ডিকেট। সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পণ্যের চালান প্রবেশের পর তা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হয় সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী। ভারতীয় সীমান্ত থেকে পণ্যবোঝাই যানবাহন বিছনাকান্দি পয়েন্ট থেকে ছেড়ে গোয়াইনঘাট ব্রিজ পার করে হরিপুরের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যাতায়াতের পুরো পথে ধারালো ও দেশীয় অস্ত্র উঁচিয়ে মহড়া দেয় ক্যাডাররা, যাতে স্থানীয় কেউ বাধা দেওয়ার সাহস না পায়।
সীমান্তবর্তী এত সংবেদনশীল একটি রুট দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য পার হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। প্রশাসনিক তদারকির অভাব নাকি অন্য কোনো রহস্য রয়েছে—এমন প্রশ্ন এখন এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
এমতাবস্থায়, গোয়াইনঘাট ও বিছনাকান্দি সীমান্ত রুটে অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই চিহ্নিত ডাকাত সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তার এবং সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার