মো. নিশাদুল ইসলাম (নিশাদ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শনিবার সকালে বরেণ্য কন্ঠশিল্পী ওস্তাদ হাসান আলী খানের স্মরণ আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবীনগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে ওস্তাদ হাসান আলী খানের সন্তান খুরশিদ হাসান খানের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন হেলাল এবং রিপা আক্তারের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- একুশে পদকপ্রাপ্ত ও বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খাইরুল আলম শাকিল, মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সুরকার ও সংগীত পরিচালক- শেখ সাদী খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী- মাসুদা আনাম কল্পনা, বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী আব্দুল আলীমের সন্তান আজগর আলীম, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা ইকবাল আহমেদ, উপাধ্যক্ষ গোলাম মাওলা খান দিপু, করিম হাসান খান ও নবীনগর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অঞ্জন কুমার নাগ।
শেখ সাদী খান তার বক্তব্য বলেন- সংগীত হল জাদু, ভালোবেসে সংগীত করতে হয়। সংগীতে এমন বিষয় সংগীত দিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করা যায়। খাইরুল আলম শাকিল বলেন- যে জাতি সংস্কৃতিতে এগিয়ে যাবে না সে জাতি অমানবিক হয়ে যায়। উক্ত অনুষ্ঠানের দুইজন একুশে প্রাপ্ত, লোক সংগীতের বরপুত্র আব্দুল আলীমের সন্তান উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ওস্তাদ হাসান আলী খান বুলবুল ললিতকলা একাডেমি লোকসংগীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন। কন্ঠশিল্পী ওস্তাদ হাসান আলী খান ১৯৪৪ সনে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে সংগীত জীবন শুরু করেন। সমসাময়িক শিল্পীদের মধ্যে একমাত্র তিনি একাধারে লোকসংগীত, উচ্চাংগ সংগীত, আধুনিক, নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করতেন সমান দক্ষতায়। তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ড. সনজিদা খাতুন, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, নীনা হামিদ, মুজিব পরদেশী প্রমুখ। ১৯৯৩ সনের ১২ই জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার