নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ভিকটিমের মা-বাবা জীবিকা নির্বাহের জন্য ভিকটিমকে নানার বাড়িতে রেখে ঢাকায় অবস্থান করে। ভিকটিমের নানা গত ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ অনুমান ০৯:০০ ঘটিকায় ভিকটিমকে সংগে নিয়ে কৃষি জমিতে কাজ করতে যায়। ধৃত ধর্ষক মোঃ এছাহাক আলী (৪১) বাদীর পাড়াপ্রতিবেশী। সেই সুবাদে ধর্ষকের সংগে একই তারিখ অনুমান ১১:৩৫ ঘটিকায় ভিকটিমকে কৃষিক্ষেত হতে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ধৃত ধর্ষক উক্ত তারিখ অনুমান ১১:৪০ ঘটিকায় পথিমধ্যে ভিকটিমকে মজা সহ বিভিন্ন খাবারের লোভ দেখিয়ে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ (বলৎকার) করে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদান করে ধৃত ধর্ষক বাড়ির পাশে রেখে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের খালা বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার ফুলবাড়ীয়া থানার মামলা নং-০৪, তারিখ-০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ধারা-২০০০(সশোধনী/২৫) সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)। উক্ত মামলা রুজুর হওয়ার পর সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ছায়াতদন্তসহ পলাতক ধর্ষককে গ্রেফতারে তৎপর হয়। এরই প্রেক্ষিতে, সিপিএসসি ও সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল, র্যাব-১৪ ময়মনসিংহ এর যৌথ আভিযানিক দল ধৃত ধর্ষকের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ আনুমানিক ১৭০০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার কুতুবপুর বড় চাওনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার ধর্ষক মোঃ এছাহাক আলী(৪১), জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার