অভিযোগ বার্তা ডেস্কঘ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তথাকথিত নেতা আব্দুর রাজ্জাক সোলায়মান ওরফে রিয়াদ। তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৯ নং নবিপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নবিপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে বেপারী বাড়িতে জন্ম। তিনি রিকশাচালক ওলি উল্যার নাতি ও রিকশাচালক আবু রায়হানের ছেলে। কিন্তু এই সাধারণ পরিচয়ের ছায়া থেকে এখন অনেক দূরে অবস্থান করছেন রিয়াদ। মাত্র এক বছর আগেও যার পরিবার ছিল অভাব অনটনের মাঝে,আজ তিনি এলাকার ‘নব্য কোটিপতি’।
এলাকাবাসী রিয়াদের এই হঠাৎ উত্থান নিয়ে বহুদিন ধরেই সন্দেহ প্রকাশ করে আসছিলেন। তাদের ভাষ্যমতে, রিয়াদের আয়-উপার্জনের কোনো দৃশ্যমান উৎস ছিল না। অথচ খুব অল্প সময়েই তিনি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন,পরিচয় দেন নিজেকে একজন ছাত্রনেতা ও সমাজসেবক হিসেবে।
রিয়াদ নিজেকে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার সিনিয়র সংগঠক’ পরিচয় দিলেও সে দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ভয়ভীতি, আন্দোলন, পদযাত্রা ও অবরোধের হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিল।রিয়াদ ছিলেন এই চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী
গত শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েন রিয়াদ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদাবাজির টাকায় গত এক বছরে নিজ এলাকায় বড় বিল্ডিং তৈরি করেছেন তিনি।
এবার কোরবানির ঈদে আড়াই লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনে আলোচনায় উঠে এসেছেন রিয়াদ। এলাকাবাসীর কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করে বলছেন, ‘রিকশাওয়ালার ছেলে কিভাবে এত দ্রুত কোটিপতি হলো? স্থানীয় প্রশাসনের কেউ কেউ বলছেন, রিয়াদের হঠাৎ এই অর্থবিত্তের উৎস নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার