মোঃ নিশাদুল ইসলাম (নিশাদ),ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরজুড়ে গ্যাসের জন্য এক ধরনের হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। এই দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠন, নেতা ওv সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হচ্ছেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে সভা–সমাবেশও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হলো—আজ কেন এই গ্যাসের জন্য এমন হাহাকার?
গ্যাস স্বল্পতার জন্য বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড মূলত দুইটি কারণকে দায়ী করছে—
১) অবৈধ গ্যাস সংযোগ
২) গ্যাস লিকেজের মাধ্যমে অপচয়
সম্ভবত অদূর ভবিষ্যতে বাখরাবাদ গ্যাস এই দুই সমস্যারই সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এতকিছুর পরও গ্যাসের চাহিদা কমবে না।
এই প্রেক্ষাপটে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরতে চাই। ২০১৩–১৪ সালে যখন সারা বাংলাদেশে আবাসিকসহ নতুন গ্যাস সংযোগ কার্যক্রম বন্ধ ছিল, তখন একমাত্র জালালাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড তাদের এলাকায় আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগসহ সব কার্যক্রম চালু রেখেছিল। কারণ, ওই এলাকায় কিছু নিজস্ব গ্যাস কূপ থাকায় তারা এই বিশেষ সুবিধা পেয়েছিল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে—
যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সারা বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে, যেখানে প্রচুর সংখ্যক গ্যাস কূপ রয়েছে, সেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ কেন আজ আবাসিক গ্যাস সংযোগের সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে?যদি জালালাবাদ গ্যাস সারা দেশে সংযোগ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও তাদের এলাকায় গ্যাস সুবিধা চালু রাখতে পারে, তবে এত গ্যাস কূপ থাকার পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী কেন সেই ন্যায্য অধিকার পাবে না?
এখনই সময়—এই বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে সম্মিলিতভাবে ভাবার, কথা বলার এবং ন্যায্য দাবিতে সোচ্চার হওয়ার
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার