লাকী আক্তার,ব্যুরো প্রধান,সিলেট
সিলেট কোম্পানীগঞ্জের রোপওয়ে বাঙ্কার থেকে অবৈধ পাথর বালু উত্তোলনে শক্তিশালী পাথর সিন্ডিকেট চক্র আবারো দিনে রাতে অবাধে পাথর উত্তোলনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে গিয়ে দেখা যায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্রিটিশ আমলের রোপওয়ের সম্পদ বিনষ্ট লুটপাটের হিড়িক চলছে। দেখা যায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে শত শত বারকী বালু পাথর৷ ডাকত শ্রমিকরা পাথর তুলে নিয়ে যাচ্ছে সরকারী অফিস ভবন, কোটি কোটি টাকার লোহা জাতীয় ভারী ভারী মেশিন রেল বিট,ট্রেসাল,, বিদ্যুৎ প্লান্টের জেনারেটর,সহ সরঞ্জামাদি লুটপাট ও বর্তমান বাস্তবিক অবস্থা-রেলওয়ে নিজস্ব বাহিনী (আর এন বি)রেলওয়ে পুলিশের কোন টহল দলের উপস্থিতি নেই।
কোম্পানি গঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নাম সম্বলিত এপ্রন ব্যাবহার কারী পর্যটন ঘাঁটের নৌকার মাঝি ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ রেপওয়ে বাঙ্কার পাহারা থাকা অবস্থায় প্রশাসন বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, চলছে পাথর বালু উত্তোলন, যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে বলে স্থানীয় জনসাধারণের দাবি।রোপওয়ে বাঙ্কার ও ধলাই নদীর পুর্বপারের নদীর তীরে -কালাইরাগ,নয়াবাজার, লিলাইর বাজার,পর্যন্ত লুটের পাথর স্টক করে। সারারাত অবৈধভাবে পাথরবাহী বড় ট্রাক্টর, ট্রাক,ট্রলি গাড়ী করে পরিবহন ও বিক্রি করা হয়ে থাকে। এবং পাথর ভাঙ্গানো ক্রাশার মিল ও মিনি ষ্টোন ক্রাশারে পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রমিকরা জানান স্থানীয় প্রভাবশালী পাথরখেকো সিন্ডিকেট বালু পাথর লুটে জড়িত আমরা সাধারণ খেটে-খাওয়া পাথর শ্রমিক মাত্র।অবৈধভাবে রোপওয়ের পাথর লুটে
বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে এই বানিজ্য চালানো হচ্ছে-কেউ পাথর কিনছেন শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা পাথরখেকোরা আড়ালে থেকে কামিয়ে নিচ্ছেন টাকা। বর্তমানে যারা পাথর ও বালু লুটপাটের সাথে জরিত আছেন। তাদের নাম নিচে দেওয়া হলোঃ রজন মিয়া পিতা;আব্দুল জলিল,গ্রাম;কালিবাড়ি, কাজল সিং ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার পুর্বইসলামপুর গ্রাম;বালুচর,মইনুল ইসলাম পিতা;নুরইসলাম গ্রাম;কালিবাড়ি, রহমত আলী পিতা;ইলিয়াস গ্রাম;কালিবাড়ি, দুলাল মিয়া. পিতা ফয়জুর রহমান গ্রামঃকালাইরাগ,রফিক আহমদ. পিতা সিরাজ মিয়া গ্রামঃকালিবাড়ি,মোহাম্মদ, পিতা আব্দুল মনাফ গ্রাম কলাবাড়ি, আমিনুল ইসলাম, পিতা আলকাছ মিয়া গ্রাম কলাবাড়ি,আলা উদ্দিন পিতা কুতুব উদ্দিন গ্রাম কালিবাড়ি, ফয়েজআহমদ পিতা ইমাম উদ্দিন গ্রাম কালিবাড়ি,আলেক আহমদ পিতা মখলিছ মিয়া গ্রাম কলাবাড়ি,নাজিম মিয়া পিতা তোতা মিয়া গ্রাম বালুচর, জুয়েল আহমদ পিতা তোতা মিয়া গ্রাম বালুচর, রিয়াজ উদ্দিন পিতা খইরুল্লাহ গ্রাম কালিবাড়ি, দিলোয়ার আহমেদ পিতা মনির উদ্দিন গ্রাম কালিবাড়ি,হেলাল আহমেদ পিতা অজ্ঞাত গ্রাম বালুচর,শামসুজ্জামান পিতা আদু মোল্লা গ্রাম বালুচর, ফয়েজ পিতা সমসের আলি গ্রাম কলাবাড়ি, হাফিজুর পিতা আব্দুল হান্নান গ্রাম কালিবাড়ি, হাবিব পিতা আব্দুল লতিব গ্রাম কালাইরাগ, সমশের পিতা শুকুর মিয়া গ্রাম কালিবাড়ি, জুনায়েদ পিতা অজ্ঞাত গ্রাম কলাবাড়ি, জুবায়ের আহমেদ পিতা তোতা মিয়া গ্রাম বালুচর, সালেহ আহমেদ পিতা অজ্ঞাত গ্রাম কলাবাড়ি, আব্দুল্লাহ পিতা আব্দুল লতিব গ্রাম কালিবাড়ি, সুহেল মিয়া পিতা বুরুত গ্রাম কালিবাড়ি,ইমরান আহমেদ পিতা মহিবুর রহমান গ্রাম কালিবাড়ি,রুবেল পিতা বাবুল মিয়া গ্রাম কালিবাড়ি, কুতুব পিতা রইছ মিয়া গ্রাম বালুচর, ,জুয়েল পিতা জাহির উদ্দিন গ্রাম কালিবাড়ি, এদের মাধ্যমে বালু পাথরের ব্যবসা হয়।
বালু পাথর লুটের সাথে জড়িতদের ফোন দিলে কারো ফোন নাম্বার বন্ধ দেখায়,আর রহমত নামে একজনের সাথে আলাপ হলে তিনি বিএনপির বড়মাপের নেতা বলে সংবাদ কর্মী কে হুমকি দেয় দেখে নেওয়ার এবং হাফিজুরের সাথে কথা হলে সাংবাদিক কে হুমকি দেওয়া হয়, বিএনপি নেতা এটাও দাবী করে নিজেকে।বালু পাথর লুটের বিষয়ে রজন মিয়া কে ফোন দিলে রজন মিয়া বলেন আমি প্রতিদিন নির্বাচনি প্রচারণায় থাকি অতএব আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা,।উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী আব্দুল মন্নান ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর বলেন যরা রোপওয়ে বাঙ্কার থেকে পাথর লুটপাট সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত আছে এদের দলীয় কোন পরিচয় নেই। বিএনপির অবস্থান পরিস্কারও শাস্তির দাবি করছি।
এবিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, রোপওয়ে বাঙ্কার রক্ষার্থে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে নিয়মিত আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার