১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে ১০ই জানুয়ারি দেশে ফিরে এসে বাংলাদেশের জন সুমূখে তার বক্তৃতায় বলেছিলেন আমি সারা বিশ্বকে ধন্যবাদ জানালেও আমি আমেরিকা সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না। তাই আমি মনে করি যে দেশটা জন্মগত ভাবে বাংলাদেশের শত্রু সেখানে আমেরিকার স্যাংশন নিয়ে মাথা ব্যাথা না থাকাই উচিৎ যারা চিন্তিত তাদের বলতে চাই,বঙ্গবন্ধু কিন্তু স্বাধীনতার পরেই বলেছিলেন আমি সারা বিশ্বকে ধন্যবাদ জানালেও আমেরিকা সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না।স্যাংশন তো বঙ্গবন্ধুই আগে দিয়ে গেছেন।এখানে নতুন করে ভাবার কি আছে বর্তমানে আমেরিকার দরকার বাংলাদেশ কিন্তু বাংলাদেশর দরকার আমেরিকার না। যারা জিও পলিটিক্স বুজেন তারাই ভালো বুঝতে পারবেন এ কথা গুলোর মানে। যে দেশ মানোবতা নিয়ে এতো বড় বড় কথা বলে সেই দেশে কি মানোবতা আছে। যদি থাকতো সেই দেশ আমাদের খুনিদের কে ফিরত দেয় নাই। আপনিরা এখন টিভি খুললেই দেখবেন বিদেশিদের তৎপরতা অনেক বেশি। তারা আমাদেরকে মানোবতার গান শুনায়। তাই আমি আপনাদেরকে একটা মানোবতার গান শুনাই। ১৯৭১ সালে আপনিরা জানেন ৩০ লক্ষ সহিদ হলো দূই লক্ষ মা বোনদের সংগম হানি করে হত্যা করা হলো। । এখন পর্যন্ত আমাদের সেই মানোবতা হত্যার সৃকৃতি এখনো দেয় নাই। কি দূঃখ জনক এবং লজ্জা জনক।আমরা অনেক সভা সেমিনার করেও বলা হয়েছে। যে গনহত্যার যেনো সৃকৃতি দেওয়া হয়। তারা দেয় নাই। এটাকে যেনো ছাইট কখনো তারা বলে নাই। ২৫শে মার্চ অপরেশন ছার্চ লাইট ক্লিইন হার্ট নামে মানুষকে মেরে ফেলা। জাতীয় চারনেতা সহ অনেকে জেল হত্যা করে আমাদের নেতাদেরকে মেরে ফেলা। পরবর্তীতে ৭৫ সালে ১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর সহ পরিবারে মেরে ফেলা হলো এবং ২১শে আগষ্টে শত শত নেতা কর্মীদের ও মানুষদেরকে মেরে ফেলা এর কোনোটাইকে তারা মানোবতার দিকে আনে নাই । এমনকি রহিঙ্গা ইসুতে তারা বলে নাই। আজকে তারা আমাদেরকে মানোবতার গান শুনায়। তাই আমি বলতে চাই ধীরে বন্ধু ধীরে আগে নিজের চক্রায় তেল দাও। নিজের দেশে মানোবতা ঠিক করো তার পর অন্যন্য দেশে মানোবতার গান শুনাও।কথায় বলে গায়ে মানে না নিজে মোড়ল সেই দিন শেষ।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার