মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ফরহাদ ব্যুরো চীফ, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মা ও নবজাতকের নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দক্ষ, মানবিক ও পেশাদার মিডওয়াইফ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। একজন গর্ভবতী মা হাসপাতালে বা ক্লিনিকে গেলে প্রথম যে স্বাস্থ্যকর্মীর মুখোমুখি হন, তিনি হচ্ছেন একজন মিডওয়াইফ। তাই তাদের দক্ষতা, আচরণ ও দায়িত্ববোধের ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে মা ও শিশুর নিরাপত্তা।
রবিবার থিয়েটার ইন্সটিটিউটে আয়োজিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিডওয়াইফারি ইনস্টিটিউটের নবীন বরণ, ক্যাপ সিরোমনি ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, তোমরা যখন ক্যাপ গ্রহণ করছো, তখন একটি রোগীকে সুস্থ করে তোলার দায়িত্বও তোমাদের কাঁধে এসে পড়ছে। মনে রাখতে হবে, একজন গর্ভবতী মা যখন হাসপাতালে আসে, তখন প্রথম সেবা ও সাহস পায় মিডওয়াইফের কাছ থেকেই। উন্নত দেশগুলোতে মিডওয়াইফরা গর্ভকালীন সেবা, ব্লাড প্রেসার, পালস রেট, হার্ট রেট পর্যবেক্ষণসহ অধিকাংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা করেন। চিকিৎসকরা পরে এসে রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। এজন্য মা ও শিশুর সুরক্ষায় দক্ষ মিডওয়াইফ তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে দক্ষ মিডওয়াইফ ও নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। লন্ডন ও টরন্টো সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মেয়র বলেন, “আমি বিদেশে গিয়ে দেখেছি মিডওয়াইফ ও কেয়ারগিভারদের কত বড় চাহিদা। সেখানে উচ্চ বেতনে কাজের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমাদের অনেকেই শুধু ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ায় সেই সুযোগ নিতে পারছে না।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা যারা মিডওয়াইফারি পেশায় আসছো, তারা অবশ্যই স্পোকেন ইংলিশ শেখার ওপর গুরুত্ব দেবে। যদি ইংরেজিতে সাবলীল হতে পারো, তাহলে বিদেশে তোমাদের জন্য অবারিত কর্মসংস্থানের সুযোগ অপেক্ষা করছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মো. ইমাম হোসেন রানা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম, মেমন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. সৈয়দ দিদারুল মনির, থিয়েটার ইন্সটিটিউটের পরিচালক অভীক ওসমান, চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল গৌরি দাশ, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান এবং সিটি কর্পোরেশন মিডওয়াইফারি ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ লক্ষ্মী দত্ত রায়।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার