মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
গ্রাহক সেবায় হয়রানি আর দীর্ঘসূত্রতার চিরাচরিত নিয়ম ভেঙে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। জামালপুরের মাদারগঞ্জে একজন পলিসি হোল্ডারের মৃত্যুর মাত্র ৭ দিনের মাথায়, কোনো রকম জটিলতা ছাড়াই ৩,০৬,২১৪/- (তিন লক্ষ ছয় হাজার দুই শত চৌদ্দ) টাকার মরণোত্তর বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অবিশ্বাস্য বিষয় হলো, প্রয়াত গ্রাহক মো: রুবেল মিয়া মৃত্যুর পূর্বে মাত্র ১৬টি কিস্তি জমা দিতে পেরেছিলেন।
শনিবার (১৬ মে ২০২৬) বিকেলে মাদারগঞ্জের সুখ নগরী প্যারামেডিকেল কলেজ মাঠে এক জমকালো চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি (ঝিনাইদহ মেট্রো)-এর ইউনিট ম্যানেজার মোছা: মুক্তা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্নেহাশীষ রায়।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন সোনালী লাইফের মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও ইসলামপুর মেট্রোর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জনাব মো: আতাউর রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মেলান্দহ মেট্রোর সিনিয়র ইউনিট ম্যানেজার জনাব মো: শাকিল খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি স্নেহাশীষ রায় বলেন, "বীমা দাবী পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়—এমন ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করলো সোনালী লাইফ। মাত্র ১৬টি কিস্তি দেওয়ার পর একজন গ্রাহক মারা গেলেন, আর তার পরিবার কোনো হয়রানি ছাড়াই মাত্র ৭ দিনের মধ্যে ৩ লক্ষাধিক টাকার চেক পেয়ে গেল! এটি শুধু প্রশংসনীয়ই নয়, বরং দেশের বীমা খাতের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব এড. মনজুর কাদের বাবুল খান, ৪নং বালিজুড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মির্জা ফখরুল, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মো: মনজুরুল ইসলাম মুছা, এবং মেলান্দহ পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জনাব মো: মোবারক হোসেন মোবারক।
বক্তারা বলেন, ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স শুরু থেকেই স্বচ্ছতা ও দ্রুততম সময়ে গ্রাহক সেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করেছে। এই দ্রুততম দাবী পরিশোধের ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় সোনালী লাইফের বিশ্বাসযোগ্যতা আকাশচুম্বী করে তুলেছে।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ঢাকা হেড অফিসের সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জনাব ডা: মো: সারোয়ার হোসেন, শিবচর শাখার সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জনাব মো: শহিদ হুসাইন, ঝিনাইদহ মেট্রোর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জনাব রাজু আহমদ এবং মেলান্দহ মেট্রোর সিনিয়র ইউনিট ম্যানেজার জনাব মো: রকিবুল ইসলাম খান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মরহুমের মনোনীত নমিনী মোছা: মনিজা খাতুনের হাতে ৩,০৬,২১৪ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। শোকের সাগরে নিমজ্জিত পরিবারটি মাত্র ৭ দিনে এই বিশাল আর্থিক সম্বল হাতে পেয়ে সোনালী লাইফ কর্তৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পরিশেষে, মরহুম মো: রুবেল মিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার