এস এম ফিরোজ আহামেদ,ঢাকাঃ
‘সত্য বলার সাহসই সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি’—এই দৃঢ় প্রত্যয়কে ধারণ করে বাংলাদেশে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দাবিতে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।এ বছরের প্রতিপাদ্যএ বছর দিবসটির বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’ (Shaping a Future at Peace: Promoting Press Freedom for Human Rights, Development and Security)।কর্মসূচি ও আলোচনা সভাদিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি তথ্য ভবন কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হয়। পরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও নির্ভীক গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক সমাজের দর্পণ। এ সময় তিনি গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।এছাড়াও রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত টিআইবি কার্যালয়ে ইউনেস্কোর সহায়তায় একটি বিশেষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন।গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানসম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)-এর ২০২৬ সালের সূচক অনুযায়ী, ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম। গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ ৩ ধাপ নিচে নেমে গেছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।দিবসের প্রেক্ষাপট১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর সুপারিশ এবং ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের স্বীকৃতির পর থেকে প্রতি বছর ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাহস জোগাতে এবং যারা সত্য তুলে ধরতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন, তাদের স্মরণ করতেই এই আয়োজন।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার