বিনোদন ডেস্কঃ
আজ থেকে ২৯ বছর আগে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যর সময় তার স্ত্রী সামিরা প্রেগনেন্ট ছিলো এই দাবী সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর,তিনি বলেছেন আমার ছেলে যখন মারা যায় তখন সামিরা ৩-৪ মাসের প্রেগন্যান্ট ছিলো , আর সেই জন্যই সালমানের মৃত্যুর ৩ মাস পরেই তড়িঘড়ি করে - সালমানের দীর্ঘ দিনের বন্ধু মোস্তাকের সঙ্গে বিয়ে বসেন, তাছাড়া মোস্তাকের সঙ্গে সামিরার পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। আমি সামিরার ছেলের ডিএনএ টেস্ট করার দাবী জানাচ্ছি তাহলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে ছেলেটি কার সামিরা সত্যি যদি সালমান শাহকে ভালোবাসতেন তাহলে তার স্বামীর শোক কাটাতেই তো ৩-৪ বছর কেটে যাওয়ার কথা কিন্তু ঘটনা উল্টো ৩-৪ মাস পরেই সামিরা বিয়ে করেন সালমানের বন্ধুকে।
এখানে আরেকটি বড় বিষয় হচ্ছে সালমানের মৃত্যুর সংবাদ সামিরাই আমাকে দিয়েছিল, আমি আমার স্বামী আমার ছোট ছেলে - সালমানের বাসায় আসলে তার ব্যাবহৃত ফোনটি আমারা পায়নি, তাহলে সালমানের ফোনটি কে গায়েব করলো ? এছাড়া আরো অনেক গুরুত্ব পূর্ন জিনিস আমরা পাইনি।
আজ ২৯ বছর পর সালমানের আত্নহত্যা মামলাটি হত্যা মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত আর এই মামলায় ১১ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এসময় নীলা চৌধুরী আরো দাবী করেন, যারা সালমানের বাসায় চাকুরী করতো তাদের কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। যারা সালমানের বাসায় কাজ করতেন তারা হলেন-
১. আবুল (সালমানের সহকারী) ২.ডলি ( কাজের বুয়া) ৩. মনোয়ারা (কাজের বুয়া) ও মনছুর আলী সালমানের (পিএস) এই চারজন নিশ্চয়ই অনেক কিছু জানে , তারা সালমানের মৃত্যুর রাতে বাসায় ছিলো, শুধু মনছুর বাদে কারন সালমানের মৃত্যুর ৩ মাস আগেই চাকুরী ছেড়ে দেন মনছুর আলী।
সালমানের মা নীলা চৌধুরী বলেন যতক্ষণ পর্যন্ত সালমানের বিচার সম্পূর্ন না হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত সালমানের ভক্তরা মাঠে থাকবেন ইনশাআল্লাহ জয় আমাদের হবেই হবে।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার