মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মানিকগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৫০তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মাহফিলের জন্য রান্না করা খাবার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সদর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিজুল ইসলাম খান কামালের নিজ বাস ভবনে খাবার রান্না হয়েছিল।
মফিজুল ইসলাম খান কামাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের একক কোনো সম্পত্তি নয়। তিনি জাতির জনক। তার শাহাদৎবার্ষিকী করা যাবে না– সরকার থেকে এরকম কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জাতির জনকের শাহাদাৎবার্ষিকী পালন করার স্বাধীনতা আমার আছে।’
বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘আজ সকালে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আমার নিজ ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন, কুরআনখানি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুরে দোয়া মাহফিলের জন্য এক ডেকচি খিচুড়ি রান্না করা হচ্ছিল। খাবার রান্না প্রায় শেষ পর্যায়ে– এমন সময়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আমান উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ আসে। তারা চুলা নিভিয়ে রান্না করা খাবার একটি ভ্যানে করে নিয়ে যায়। গরীব মানুষের জন্য রান্না করা কাঙালি ভোজ রেখে যেতে পুলিশদের অনেক অনুরোধ করলেও তারা কথা রাখেনি।’
বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস এম আমানউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে ঘটনাস্থলে ওই সময়ে ওসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী পালন না করতে উপরের নির্দেশ ছিল। এই কারণে মফিজুল ইসলাম খান কামালের বাড়িতে শাহাদাৎবার্ষিকী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই রান্না করা খাবার পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।’
এদিকে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম খান কামাল তার ফেসবুকে পেজে একটি স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘‘১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস-২০২৫’ নৈতিক দায়িত্ব থেকে আমি আজকে পালন করার চেষ্টা করেছি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। সকালে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। হয়েছে কোরআন খতম ও দেয়া মাহফিল। আয়োজন ছিলে কাঙালি ভোজের।
৫৭০/১ স্টেডিয়াম রোডে মানিকগঞ্জ - ১৮০০থেকে প্রকাশিত। ফোন -০১৯৬৮৮০০৯৩০
ইপেপার