চট্রগ্রাম কাস্টমস সিপাই নিয়োগ পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশ: ১ বছর আগে

২০১৪ হতে ২০১৮ পর্যন্ত, চট্রগ্রাম কাস্টমসের সিপাই,মালি পদের নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয় ২০২২ এর ডিসেম্বর মাসে।প্রথমে শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষা হয়, এবং এর ১৫ দিন পরে লিখিত পরীক্ষা আহবান করা হয়।চট্টগ্রাম ইস্পাহানি স্কুল এন্ড কলেজ গত ২৩শে ডিসেম্বর সকাল ১০ ঘটিকায় উক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত ১০টায় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।যা মূলত একটি সাজানো, লোকদেখানো পরীক্ষা ছিলো এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।

 

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থি আমাদের প্রতিবেদককে জানান, প্রবেশপথে তল্লাশি ছিলো,কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্ত করার কিছু ছিলোনা,যে কারনে ছবি পরিবর্তন করে,প্রার্থির পরীক্ষা দিয়েছে অন্যজন।যারা কন্টাকে ছিলো তাদের ব্যাতিত ২-৩ জন পরীক্ষা চলাকালে গ্রেফতার হয়েছে,কিন্তুু তাতে কি?

 

আরেকজন পরীক্ষার্থী বলেন আমরা ৯৯ ও ২০০৪ পর্যন্ত যারা আছি তাদের পরাশুনা আর এখনকার চলতি শিক্ষার্থিরা প্রতিযোগিতা এক নয়।এর পরে লিখিত পরীক্ষা হয়েছে, যদি নৈবিত্তিক টাইপের হতো তাহলেও একটা কথা হতো।

 

 

ব্রাক ব্যাংকে, এনজিও ও রিপ্রেজনটিভে কর্মরত বেশ কয়েকজন পরিক্ষার্থি বলেন, প্রশ্নের মান সহজ হলেও আমাদের চর্চা ছিলনা,আর প্রশ্ন উপস্থিত ভাবে কারেকশন,আর ছিলো ভুলে ভরা। এসব মিলিয়ে মনে হয়েছে এটা স্রেফ লোক দেখানো। সরকারের শেষ সময় তাই জনবল নিয়োগ হচ্ছে, এই সুযোগে কর্মকর্তারা তাদের লোকজন নিবে, আর যারা মাস্টার রোলে কাজ করছে তাদের নিয়োগে বৈধতা দিবে।তাছারা ২০১৪ সালে যারা শেষ আবেদন করেছে তাদের নিয়োগ হলে তারা বয়সের শেষপ্রান্তে তাই তাদের প্রকৃতপক্ষে দরকার নেই।ঐ সময়ে যারা মাস্টাররোলে কাজ করছে তাদের বৈধতা দরকার।

 

সচিবালয় থেকে আসা এক কর্মচারির, সহধর্মিণী বলেন আমি আমার ভাইকে নিয়ে এসেছি,আমার কাছে এক পরিচিত কস্টমস কর্মকর্তা ১৮ লক্ষ টাকার কথা বলেছিলো, আমার ভাই রাজি হয়নি।

 

তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে সরাসরি কোন প্রমান না থাকলেও ভুয়া পরিক্ষার্থির পরীক্ষা দেওয়ার প্রমান মিলেছে অনেক।আর পরীক্ষা কেন্দ্রের পরীদর্শকের আলাপ আলোচনায় তা সুস্পষ্ট।

 

এমন আরো ব্যাপক পরীক্ষার্থিরা একাধিক দূর্নিতীর চিত্র আমাদের প্রতিবেদকের সামনে তুলে ধরে।যা দেখে মনে হয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস ব্যাবসায়ি সিন্ডেকেটের দূর্নিতীর আতুরঘর।একমাসেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে, একদিনে ফলাফল, ২দিন পরে ভাইবা, নিছক হাস্যরসাত্মক নাটক ছারা আর কি হতে পারে। আমাদের এই দেশ, সমাজ, জাতি এই অপরাধ থেকে মুক্তি পাবে কার হাত ধরে এটাই এখন দেখার বিষয়।