ভারত নেপাল সিমান্তে নেই কোন কাঁটাতার।

প্রকাশ: ১ বছর আগে

কাঁটাতার বিহীন নেপাল ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে নজরদারী বাড়াতে সেখানে ১৩ টি নজরদারী ( ক্লোজড সার্কিট ) ক্যামেরা বসানো হয়েছে । তার মধ্যে এমন দুটি ক্যামেরা আছে, যা দিয়ে কোন মানুষের মুখ বা গাড়ির নম্বর সঠিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব । নেপাল ও ইন্ডিয়া বা ভারতের মধ্যে অনেক গুলি সীমান্ত আছে যেখান দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব । দার্জিলিং পাহাড়ের কাছেই আছে পশুপতি বাজার, যেখান দিয়ে হেঁটেই নেপালে চলে যাওয়া যায় । এ ছাড়া উত্তরাখন্ড ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে নেপালে প্রবেশ করা যায় । তবে বিহারের চম্পারণ জেলার রক্সৌল হয়ে নেপালে যাওয়ার পথটিকেই প্রধান পথ বা গেটওয়ে অফ নেপাল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে । শিলিগুড়ির কাছে পানিট্যাঙ্কি কাঁকড়ভিটা হয়ে সহজেই নেপালে প্রবেশ করা সম্ভব । এই পথে এমনকি ইন্ডিয়ান নম্বরের গাড়িতেই সোজাসুজি নেপালের ঝাঁপা জেলায় প্রবেশ করে সেখান থেকে নেপালের যে কোন জায়গায় যাওয়া যেতে পারে । ইন্ডিয়ার লোকজনের পক্ষে তেমন কড়াকড়ির সম্মুখীন ও হতে হয় না । সমতলে এই নেপাল বর্ডারের কাছাকাছি আবার রয়েছে ফাঁসিদেওয়া, ফুলবাড়ি ইত্যাদি বাংলাদেশের সীমান্ত ও । তবে্‌ এই পানিট্যাঙ্কি বর্ডারের কাছের জায়গাটি কিছুদিন যাবৎ বেশ উত্তেজনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে । ফাঁসিদেওয়াতে বাংলাদেশের সীমান্তে রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া, কিন্তু নেপাল সীমান্তে কোন বেড়া নেই । তাই আপাতত ক্লোজড সারকিট ক্যামেরার সঙ্গেই বসানো হয়েছে নজরদারীর জন্য পুলিস চৌকিও, যাতে দুজন অফিসার ছাড়াও থাকবে কিছু কনস্টেবল ।সাম্প্রতিক কালে কে এল ও জঙ্গী, আই এস আই এর চর সন্দেহে ধরপাকড় ছাড়াও এপারের চোরাই গাড়ি ও বিশেষ একটি ব্র্যান্ডের মোটর বাইক চুরির খোঁজ করতে গিয়ে সেগুলির সন্ধান মেলে নেপালেই । সম্প্রতি কালিম্পং ও শিলিগুড়িতে দুজন আই এস আই লিঙ্কম্যান কে আটক করে জানতে পারা যায়, তাদের ও গন্তব্য ছিল নেপাল হয়ে বিদেশের কোন জায়গায় । নেপাল ইন্ডিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র এবং চীনের আক্রমণের পথে বাফার স্টেট বা প্রাথমিক বাঁধের কাজ করতে পারে । এ ছাড়া বাকী সব বিষয়েই নেপাল ভারতের মুখাপেক্ষী । এই সব ই কমবেশি আছে বাংলাদেশেও । তবে সেখানে তাদের নিজস্ব নজরদারী অনেক কড়া । তাই নেপালে যদি খোলা সীমান্ত থাকতে পারে বাংলাদেশের ও থাকবে না কেন, এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই ।