সরকারের সাফল্যকে অস্বীকার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশীদ

প্রকাশ: ১ বছর আগে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, তেজগাঁও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ১৪১,জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ি আসনের এমপি প্রার্থী আব্দুর রশীদ বর্তমান সরকারের এই সাফল্যকে অস্বীকার করছে। বিগত বেশ কয়েকটি আলোচনা সভায় তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার প্রায় ১৫ বছর যাবৎ ক্ষমতা থাকলেও সরিষাবাড়িতে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

 

আব্দুর রশীদের এই মিথ্যাচার বক্তব্য ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ি পৌর শহরের বাস স্ট্যান্ড এলাকায় আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ আব্দুর রশীদ ২০০১ সাল থেকে এমপি প্রার্থী। তিনি হলেন অতিথি পাখি, তিনি চাকরির পাশাপাশি কয়েকমাস পর পর এলাকায় আসতো, আবার ১ দিনের মধ্যেই ঢাকা চলে যেতো। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে ঢাকায় বসে থাকতো, কোনো জাতীয় নির্বাচনে তিনি ভোট দেয়নি এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেনি।

 

বক্তারা আরও বলেন, তিনি কিছু দিন আগে চাকরি থেকে অবসরগ্রহণের পর এলাকায় আসে। সরকারের উন্নয়নকে অস্বীকার ও দলীয় এমপি ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা,বানোয়াট বক্তব্য প্রদান করে। ডা.মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে তিনি মূলত বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান। তিনি প্রায়শই তার অনুসারী দিয়ে সরিষাবাড়ির মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড করতে বাধ্য করেন।

 

মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ও দলীয় এমপির সাথে রেষারেষি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মাধ্যমে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসনটি যদি আওয়ামী লীগ জোটকে ছেড়ে দেয়, তখন আব্দুর রশীদ স্বতন্ত্র নির্বাচন করবে বলেও জানায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা, এমন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগ মুহুর্তে এমন মৌসুমী নেতার উদ্ভব ঘটে। নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে তিনি ফের এলাকা ছেড়ে চলে যান। ভোটের সময়ও তিনি আর এলাকায় আসেন না। আওয়ামী লীগ নেতা হয়ে বিএনপির সুরে কথা বলেন তিনি।

 

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান লুলু, এ্যাডভোকেট মতিয়র রহমান তালুকদার স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও মহাদান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত আলী মাষ্টার, জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর কালাচান পাল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতা আব্দুল জলিল রতন সহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী।