
ব্যুরো প্রধান, লাকী আক্তারঃ
সম্প্রতি নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিপরীতে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ঢাকা মতিঝিল থানায় মামলা করলেন নাজিম উদ্দিন
নাজিম উদ্দিনের দাবি, তাকে ঢাকাতে জিম্মি করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল এবং এর মাধ্যমেই মূলত তাকে ফাঁসানোর একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে তিনি ঢাকার মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জিম্মি করে স্বাক্ষর ও নগদ টাকা আাদায় করে নেওয়ার অভিযোগ নাজিম উদ্দিনের ভাষ্যমতে, সম্প্রতি তাকে ঢাকাতে ডেকে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। ওই সময় একটি চক্র তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক কিছু সাদা স্ট্যাম্প ও কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। তার দাবি, লিজা ও তার সহযোগীরা মূলত এই জিম্মি অবস্থার সুযোগ নিয়ে বানোয়াট ব্যবসায়িক পাওনার গল্প সাজিয়েছে। নাজিম উদ্দিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওই স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় তিনি শারীরিকভাবে অসহায় ছিলেন এবং প্রাণের ভয়ে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।
ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং নিজের নিরাপত্তা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে নাজিম উদ্দিন ঢাকার মতিঝিল থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি সুনির্দিষ্টভাবে লিজা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জিম্মি করা, ভয় দেখানো এবং প্রতারণামূলকভাবে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, তিনি মনে করছেন, সিলেটে যে ঘটনার কথা প্রচার করা হচ্ছে, তা মূলত মতিঝিল থানায় করা এই মামলার বিষয়টিকে আড়াল করার এবং তাকে হয়রানি করার একটি কৌশল মাত্র।
নাজিমউদ্ঘদিনের দাবী ঘটনার দিন (২৬ এপ্রিল) তিনি সিলেটে ছিলেন না, বরং ঢাকায় ছিলেন। তার ঢাকাতে অবস্থানের ডিজিটাল প্রমাণ তার কাছে সংরক্ষিত আছে।তাকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্যই এই পুরো বিষয়টি সাজানো হয়েছে। মতিঝিল থানায় মামলার বিষয়টি প্রমাণিত হলে সিলেটের অভিযোগ গুলোর ভিত্তিহীনতা স্পষ্ট হয়ে যাবে।
নাজিম উদ্দিন প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন যেন, সিলেট এবং ঢাকা—এই উভয় ঘটনারই নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়।
তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেছেন, “আমি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার। আমাকে জিম্মি করে যে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, তা আইনত কোনো বৈধ দলিল হতে পারে না। আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং আমি বিশ্বাস করি, পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।জনগণ জানতে পারবে লিজা ও তার চক্রদের কথা, সত্য উন্মোচন হলে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ী বৃন্দ এদের ট্রেপে পড়বে না। নাজিম উদ্দিন প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানান সত্য তদন্ত করে লিজা চক্র’ কে আইনের আওতায় আনা হোক।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST