
অনলাইন ডেস্কঃ
ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলোতে সন্ধ্যা নামলেই দেখা যায় দামী গাড়ির কাচ নামিয়ে এক মধ্যবয়সী নারী ডেকে ওঠেন, “হ্যালো, স্মার্টবয়।” পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক এগিয়ে যায়। সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের পর তিনি গাড়িতে ওঠেন, আর গাড়িটি ধীরে ধীরে শহরের অভিজাত এলাকার দিকে রওনা হয়। যুবকের আচরণ দেখে বোঝা যাচ্ছিল—এটি ছিল পূর্বনির্ধারিত একটি সাক্ষাৎ।
জানা যায়, এই যুবক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি এমন এক ধরনের ব্যক্তিগত সেবার সঙ্গে যুক্ত, যা অনেকেই গোপনে করে থাকেন। কেউ একে “কম্প্যানিয়নশিপ” বা “ব্যক্তিগত সহচরত্ব” বলে উল্লেখ করেন—যেখানে মূলত সময় দেওয়া, কথা বলা বা সঙ্গ দেওয়াই প্রধান বিষয়।
এ ধরনের কাজে যুক্ত একজন জানান, শুরুটা ছিল ভিন্নভাবে পড়াশোনার সময় গাইড হিসেবে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে পরিচয় হয় কথা হয় আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে এই পথে আসা। তার ভাষায়, অনেকেই শুধুই মানসিক সাপোর্ট, কথা বলা বা কিছু সময় একসঙ্গে কাটানোর জন্য যোগাযোগ করেন আবার ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলোতে স্মার্ট ও সুদর্শন যুবকদের হোম সার্ভিস দেওয়ার জন্য আজকাল রীতিমতো বুকিং সিস্টেম চালু হয়েছে। তবে এই জায়গায় প্রতারণা বা অপব্যবহারের ঝুঁকিও আছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, এমন কার্যক্রমে জড়িত থাকার ক্ষেত্রে আইনি ও নৈতিক ঝুঁকি দুটোই রয়েছে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পাশাপাশি নিরাপত্তা, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST