ভোলা দৌলতখানে এগারো বছর আগে এক ভাই এবং গত রাতে দুই ভাই কুমিল্লা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।০৪/১১/২০২৩ইং রোজ শনিবার রাত ১১টায় রাসেল চট্টগ্রাম থেকে নিজের কাভার্ড ভ্যানে মাল বোঝাই করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়া দেয়।গাড়িটি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট আসলে দাড়িয়ে যায়।রাসেল গাড়ি থেকে নেমে দেখে গাড়িতে সমস্যা হয়েছে।তখন সে অনেক কষ্টে গাড়িটি রাস্তার পাশে পার্কিং করেছে। কিন্তুু তার ছোট ভাই শাকিল চট্টগ্রাম বেড়াতে গিয়েছিল বোনের বাসায়,সেও সেদিন অন্য একটি ট্রাকে করে ঢাকা রওয়ানা দিয়েছে।তখন রাসেল তার ছোট ভাই শাকিল কে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানায়।শাকিল বলেছিল আপনি দাড়ান আমি আসতেছি আপনাকে হেল্প করবো।কিছুক্ষন পর শাকিল এসেছে,সে যে গাড়িতে ছিল সেই গাড়ির ড্রাইভারকে বলে রাসেল ভাইর গাড়িটি এই গাড়ি দিয়ে টেনে গ্যারেজে এ নিতে হবে।তখন ঐ গাড়ির ড্রাইভার রাজি হয়ে শাকিলকে বলেছিল রশি দিয়ে বাঁধার জন্য।তখন দুই ভাই একসাথে নষ্ট হয়ে যাওয়া গাড়িটি ঐ গাড়ির সাথে বাঁধতে ছিল।হঠাৎ পিছন থেকে একটি ট্রাক এসে নষ্ট গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়, তখন রাসেল আর শাকিল দুই গাড়ির মাঝে চাপা খেয়ে সাথে সাথে নিহত হয়। তখন ঐ ট্রাকের ড্রাইভার ভয়ে পালিয়ে যায় এবং তার গাড়িতে থাকা হেল্পার আহত হয়।এসময় অপরিচিত একজন লোক এসে ফায়ার সার্ভিস এর লোকদেরকে ফোন করলে তারা এসে পুলিশকে ফোন দেয়।পুলিশ এসে তাদেরকে থানায় নিয়ে যায় এবং ঐ গাড়িটি জব্দ করে।শাকিল যে গাড়িতে ছিল সেই ড্রাইভার তাদের বাড়িতে ফোন দিয়ে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানায়।বাড়িতে খবর শুনার সাথে সাথে এলাকায় শোকের ছাঁয়া বয়ে যায়। জানাযায়,এগারো বছর আগে তাদের বড় ভাই সবুজ ঢাকা সাইন বোর্ড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়।আবার এগারো বছর পরে দুই ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত,এনিয়ে শোকাহতের পরিবার তিন সন্তানকে হারিয়ে পাগলের মত হয়ে যায়। নিহতেরা হলেন,দৌলতখান উপজেলা সৈয়দপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের মোঃরতনের ছেলে।রাসেল পেশায় ছিলেন একজন ড্রাইভার এবং শাকিল ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী। নিহতের বড় ভাই আব্দুল্লাহ খবর পেয়ে কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট ফাড়িতে গিয়ে নিজে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।এবং লাশ বাড়িতে নিয়ে আসে তাদের দাপন সম্পন্ন করে।