ভোলায় দৌলতখান উপজেলাদীন দঃ জয়নগর ৮ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ নজির মেম্বার বাড়ি/মাতাব্বর বাড়িতে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৫/০৫/২০২৪ ইং তারিখ রোজ রবি বার সকাল অনুমান ১০:৩০ মিনিটে মোহাম্মদ নজীর মেম্বার বাড়িতে জমা-জমির শালিশ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু উভয় পক্ষের শালিশ উপস্থিত না হওয়াতে,উপস্থিত শালিস চলে যাওয়ার পর, আমার ভাই মোহাম্মদ বজলুর রহমান মাতাব্বর (৪৫) মোহাম্মদ মিলন মাতাব্বর (৪২) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মাতাব্বর (৪০) দাড়ালো দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে এবং আমার বড় ছেলে
মোহাম্মদ রুবেল মাতব্বর (২৮)কে দাড়ালো ছুড়ি দ্বারা পেটে আঘাত করেন। মোহাম্মদ মন্নান মাতব্বর (৫০)এবং তার মোসাম্মদ লিলুফা খাতুন(৩৮) মেয়ে মোসাম্মদ শারমিন আক্তার, ছেলে মোহাম্মদ রুবেল মাতব্বর (২৮)এর উপর দাড়ালো ছুড়ি দিয়ে পেটের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।
পরবর্তীতে ছেলেকে বাচাতে মোহাম্মদ মন্নান মাতাব্বর ছুটে আসলে তাকেও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে।একপর্যায়ে মোহাম্মদ মন্নান মাতব্বর মাটিতে লুটিয়ে পড়লে,তার কান কামর দিয়ে ছিরে ফেলে।
এই অবস্থা দেখে মন্নানের স্ত্রী ছেলে এবং স্বামীকে বাঁচাতে ছুটে আসলে তাকেও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে ও তার পায়ে ছুড়ি দিয়ে জখম করেন।এক পর্যায়ে বাবা,মা,ভাইকে বাচাতে মেয়ে মোসাম্মদ শারমিন(২৫) ছুটে আসলে তাকেও মেরে মাটিতে লুকিয়ে ফেলেন।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ মন্নান মাতাব্বর জানান,পারিবারিক জমি-জমার বিরোধ কেন্দ্র করে শালিশ হওয়ার কথা ছিল কিন্ত উভয় পক্ষের শালিস উপস্থিত না হওয়াতে উপস্থিত বাকি শালিশরাও চলে যায়।তার পরে বিরোধী পক্ষ দেশীয় দাড়ালো অস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে যায় এবং আমার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালায়।এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক আমার ভাই মোহাম্মদ বজলুর রহমান মাতাব্বর (৪৫) মোহাম্মদ মিলন মাতাব্বর (৪২) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মাতাব্বর (৪০) দাড়ালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে জখম করেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দ্বারা আঘাত করেন। এছাড়াও হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে শ্বাস রোধ করার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে আমাদের ডাক চিৎকার শুনে আশপাশের পাড়া-প্রতিবেশিরা এগিেয় আসে।পরবর্তীতে স্থানীয় প্রতিবেশীরা হামলাকারীদের কবল থেকে আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে উদ্ধার করে,চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসেপাতালে পাঠান কিন্তু আমার ছেলে মোহাম্মদ রুবেল মাতব্বর (২৮)এর শারীরিক অবস্থা আশংকা জনক বিদায় ভোলা সদর হাসপাতাল থেকে বরিশাল শেরে বাংলা কলেজ এন্ড হাসপাতালে রেফার করেন।
উপরিউক্ত বিষয়টি সম্পর্কে দৌলতখান থানা ইনচার্জ সত্য রঞ্জন খাসকেল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলার আসামিদের মধ্য থেকে তিন জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST