
লাকী আহমেদ সিলেট থেকেঃ
যে মানুষটি ওসি হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় চুরি, ছিনতাই, জুয়া ও মাদক প্রতিরোধে সাহসী ভুমিকা রেখেছিলেন সেই চৌকস অফিসারকে অপসারণ করালো খোদ বিএনপি।ওসি মোবাশ্বিরের দোষ ছিলো ছিনতাইারীদেরকে গ্রেফতার করে কঠিন শাস্তি দেওয়া ও জনসম্মুখে সত্যিটা তুলা ধরা, এর খেসারত হিসেবে ওসি পদ থেকে অপসারণ হতে হলো। কারণ তিনি দলীয় বিবেচনায় অপরাধী ছাড়তে চান না।
সম্প্রতি হাউজিং এস্টেট এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে সিএনজি আটকিয়ে এক নারীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় বেরিয়ে আসে ছাত্রদল নেতাদের নাম। এর মুল হোতা ছিল বিএনপি নেতা আব্দুল্লা শফি শাহেদ, উরফে ডোম শাহেদ। ওসি মোবাশ্বির এসএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জড়িতদের নামও প্রকাশ করেন এবং গ্রেফতারের অনুমতি চান। এতে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ_হোসেন_চৌধুরী সম্মতি দিলেও বেকে বসেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল_হাসান_কয়েস_লোদী। দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করলে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে সেজন্য তিনি গ্রেফতার না করতে পুলিশকে চাপ দেন। কিন্তু এই অন্যায় আবদার মানতে নারাজ হন ওসি মোবাশ্বির। তাই কয়েস লোদীর হস্থক্ষেপে শাহ মোবাশ্বিরকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হলো।
সিলেট বিএনপিতে প্রিয়ভাজনের সর্বোচ্চ তালিকায় ছিলেন মহানগর বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কয়েস লোদী।
বিএনপি নেতা’র নিজের ক্ষমতার মোহে আজ চরম অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছেন। ডোম শাহেদের মতো ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজকে শেল্টার দেয়ার মাধ্যমে তার ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে!
বিএনপি নেতা কয়েস লোদী চোর, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজদের শেল্টার দিচ্ছেন, নিজের ক্যারিয়ার ধ্বংস করছেন, এভাবে চলতে থাকলে নগর পিতা হওয়া শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST