যেখানে দুর্দশা দুর্ভোগ সেখানে মানুষের মানবতার ফেরিওয়ালা মানবিক সামাজিক আব্দুল হক

প্রকাশ: ১ বছর আগে

ইয়াছিন আলী খান, দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।

 

সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার বাংলাবাজার মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিবিজড়িত এলাকা হকনগর মোকাম ছাড়া গ্রামের একজন বিশিষ্ট মানবিক সামাজিক অমায়িক দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশি আব্দুল হক, তিনি তার রোজগারের অর্ধেক ততা একাংশ অর্থ বিলিয়ে দেন অনাহারী অর্থহীন গরীব দুঃখী অসহায় হতদরিদ্র এতীম ভিখারি পথশিশুদের কে, তিনি এই পর্যন্ত একাধারে বিগত বছরগুলোতে বিনা স্বার্থে এলাকার সমাজের এই নিরীহ মানুষের পাশে দাড়িয়ে সর্বদাই বিনয়ের সাথে সেবা প্রধান করে আসছেন। এই এলাকার মানুষের পাশে সেবাপ্রদান করার জন্য একটি মানবিক সামাজিক কল্যাণকর সেবামূলক সংগঠন গড়ে তোলেন তিনি।

 

আরও পড়ুন, তিনি কেন তার জীবনের উপায় না করে তার রুজিরোজগারের অর্ধেক অর্থ বিলিয়ে দেন, তিনি দুনিয়াবি কোন স্বার্থের জন্য নয়,তিনি একমাত্র মালিকের আজাবের ভয়ে জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য, মহাপ্রভুর নৈকট্য লাভের আসায় সেবা প্রধান করে থাকেন। তিনি একজন মানবিক সমাজসেবক মানুষ,তিনি সৎ, সহজ, সরল, স্বভাবের নিরহংকারী ন্যায়নীতিবান পরোপকারী মানুষের ভালবাসার শ্রদ্ধা এবং সম্মানের মানুষ।

 

হকনগর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক আলম সিকদার বলেন,

তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা, একজন মানবিক মানুষ, তিনি আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার উপজেলার বাংলা বাজার ইউনিয়নের বাংলাদেশের শেষ সিমান্ত মুক্তিযুদ্ধের ৫ নং সেক্টর বাশঁতলা জুমগাঁও মোকাম পাড়া গ্রামের হত দরিদ্র পরিবারের একজন রেমিট্যান্স যুদ্বা, মধ্যে প্রাচ্যের দেশ ডুবাই প্রবাসী আব্দুল হক ভাই, যার উছিলায় হতদরিদ্র পরিবারে মুখে হাসিফুটে, বাংলা বাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অসহায় হতদরিদ্র এতীম অর্থহীন অভাবী অনাহারী মানুষের পাশে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, প্রতি মাসেই উনার অবদান মানবিক দুই চারটি পোস্ট ফেইসবুকে দেখতে পাই, আমরা আরো জানতে পারলাম বাশঁতলা এলাকার বিভিন্ন গ্রামের ৭/৮ টি ভিক্ষুক পরিবারের ভিক্ষা বন্ধ করে দিয়ে প্রতি মাসে মাসে এদের সাংসারিক খরছের দায়িত্ব উনি নিজেই চালিয়ে যাচ্ছেন। গত কিছুদিন আগেও আমরা দেখলাম উনি হটাৎ উনার স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় সংক্ষিপ্ত সফরে দেশে আসেন এই অল্প সময়ের সফরে এসেও বাশঁতলা এলাকার বিভিন্ন মসজিদে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন, এবং এর পাশাপাশি একটি কবরস্থানের জায়গার জন্য মুটামুটি বড়সড় একটা অংকের অর্থের জায়গা ও দান করেন। আমরা উনার এই মানবিক কাজ গুলি দেখে রীতিমত অনুতপ্ত। এবং আবার বিভিন্ন পোস্টে ও দেখি বিভিন্নজন উনার কাছে অসুস্থ লুক চিকিৎসার জন্য এবং মসজিদ মাদ্রাসার কাজের জন্য উনার কাছে চায় উনি বলে থাকেন আমি আগামী মাসে বেতন পাইলে ইনশাআল্লাহ দিয়ে দিব, তারপরও কিন্তু তিনি কাউকেই নিরাশ হতাশ করেন না।

উনি মাস শেষে বেতন পেলেই দান করে দেন,উনি আসলেই একজন মানবিক মানুষ, তিনি একজন সমাজসেবক মানবিক সৎ ও সহজ সরল নিশ্বার্থ ব্যাক্তি। আমরা উনার মতো আর দ্বিতীয় কোন ব্যক্তি দেখি নি।

 

তিনি আরও বলেন, সমাজে উনার চেয়ে হাই লেভেলের অনেক টাকা পয়সা জায়গা সম্পদের মালিক আছে উনারা এই আব্দুল হক ভাইয়ের মতো করে অসহায় হতদরিদ্র গরীব দুঃখী এতীম অর্থহীন অভাবী অনাহারীর পাশে যদি দাড়াতেন তাহলে এই এলাকায় ততা এই ইউনিয়নে আর কেউ অভাবী অনাহারী অর্থহীন গরীব দুঃখী অসহায় থাকতো না, দেশ আরো উন্নতি লাভ করতো, দেশের দুর্ভিক্ষ দুর্দশা দুর্দিন দুর্ভোগ দূর হয়ে যেতো।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কে বেশি করে দান সদকা করার তৌফিক দিক, এর পাশাপাশি আব্দুল হক ভাই কে শারীরিক মানসিক সুস্থতা দান করুক, আল্লাহ তায়ালা আমাকে আপনাকেও যেন উনার মত মন মানসিকতা তৈরী করে দেন। আমিন।

 

 

মাদিনাতুল উলুম জুমগাও নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারি মাওলানা শামছুল হক নোমানী বলেন, আমার জানামতে তিনি একজন সৎ ও ন্যায়নীতিবান সরল স্বভাবের নিরহংকারী মানবিক মানুষ, তিনি যখনি কোন এতীম অসহায় হতদরিদ্র গরীব দুঃখী প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাড়ান তখনও তিনি নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করে থাকেন, এবং আমার জানামতে তিনি একমাত্র মালিকের নৈকট্য লাভের আসায় সেবা প্রধান করে থাকেন। আমার সাথে উনার বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে, এতীম অসহায় হতদরিদ্র গরীব দুঃখী মানুষ থেকে নিয়ে মসজিদ মাদ্রাসা এবং কবরস্থান সহ দ্বীনি সকল কাজেই সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেন সবসময়ই উনাকে নেক হায়াত ও সুস্থ রাখেন, আর মানুষের পাশে দাড়িয়ে সর্বদাই বিনয়ের সাথে সেবা করতে পারেন।

 

মানবতার কান্ডারী এতীম অসহায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু রেমিট্যান্স যুদ্ধা ডুবাই প্রবাসী আব্দুল হক বলেন, আমার খুব ভাল লাগে এসব মানুষের পাশে দাড়িয়ে সেবা করতে পেরে, আরেকটা ব্যাপার আমার কাছে দুঃখ লাগে যখন দেখি আমার এলাকায় আমার দেশে আমার চেয়ে আরো ধনী সম্পদশালী ব্যক্তিরা এসব ভালো কাজে আসেনা এদের কে (অসহায়, এতীম ভিখারি পথশিশু প্রতিবন্ধী) এড়িয়ে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, আর এসব মানুষ বারবার আমার কাছে আসে, আর আমিও এদের কে নিরাশ করি না, আমার স্বাদমতো সাহায্যে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি, এতে আমার আত্না প্রশান্তি লাভ করে, আমি দান সদকা করে সাহায্য সহযোগিতা করে শান্তি পাই।