
অভিযোগ বার্তা ডেস্কঃ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ শুক্রবার। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।
জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন।তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় থাকাকালীন বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
প্রতি বছর ৩০ মে দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী হিসেবে পালন করে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠন। এ বছর এ উপলক্ষে টানা ৮ দিনের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
১৯৭৫ সালের ২৫ আগস্ট সেনাপ্রধান হন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব তাকে রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে যায়। ছয় বছরের শাসনামলে জিয়াউর রহমান বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে এ জাতিকে মুক্ত করেন।
গত ১৬ বছর স্বাধীনতার ঘোষকের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছিল বিএনপি। তবে দলটির দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের আন্দোলনের পথ ধরে গত বছর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার দীর্ঘ সময় পর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিএনপি। এদিকে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রতিবছর দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়।
তবে আওয়ামী সরকারের আমলে প্রশাসনের মাধ্যমে বিএনপির সব কর্মসূচি পালনে বাধা দেয়া হতো। নিপীড়নের মাধ্যমে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি দাঁড় করানো হতো বিএনপিকে। গত বছর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতন ঘটে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার দীর্ঘ সময় পর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিএনপি।
বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনগুলো জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করেছে। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST