
কক্সবাজার প্রতিনিধি:‘মাদকমুক্ত সমাজ, উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব কক্সবাজারের স্বার্থ সংরক্ষণে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কক্সবাজার সোসাইটির ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কক্সবাজারের রুহুল আমিন স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে গৃহীত শোক প্রস্তাবের আলোকে ইনানী সমুদ্রসৈকতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং সিনিয়র সাংবাদিক ও পরিবেশবাদী নেতা আহমেদ গিয়াসের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সাংবাদিক হোসেন সুমনের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।কক্সবাজার সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো:ওসমান গনি মির্জার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি কমরেড গিয়াস উদ্দিন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. সুলতান মাহমুদ সভায় লিখিত দাবি উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সোসাইটি’র প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী,উপদেষ্টা কনসালটেন্ট (আব:) পিটিআই প্রধান শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ সরকার,উপদেষ্টা মো: নাছির উদ্দীন
কনসালটেন্ট (আব:) পিটিআই প্রধান শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ সরকার,উপদেষ্টা সাবেক শিক্ষা অফিসার কক্সবাজার মো: নাছির উদ্দীন,সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বদিউল আলম,ড.নুরুল আবছার,সার্জেন্ট আবু তাহের,আইয়ুব আলী,আরিফুর রহিম,জালাল উদ্দিন,সাংবাদিক হায়দার নিজাম
সম্মানিত অতিথি করিম উল্লাহ কলিম,আমিনুল হক চৌধুরী
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খায়রুল আমিন চৌধুরী, খোরশেদ আলম হিরো, হাসিনা আক্তার, শফিউল্লাহ, আবু মুসা, আবু সৈয়দ, তামজিদ কায়ছার চৌধরী, ইউছুপ আলী, হামিদা আক্তার, সাজ্জাদুল ইসলাম, হায়দার আলী, ইয়াসীর মো. খলিলুল্লাহ নিদাল ও ফারহান শাহরিয়ারসহ সংগঠনের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা।
কক্সবাজার সোসাইটি একটি স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক, মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি সামাজিক উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে এসব ক্ষেত্রে সংগঠনের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা মনে করেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামাজিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয় ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST