
আমরা যারা রাজনীতিক বা শ্রেনী সচেতন মানুষ বলে নিজেদের দাবী করি তারা আসলে সব চাইতে অচেতন। আমরা ভাবী বাংলাদেশের জনগন অসচেতন, বোকা, অবুঝ ইত্যাদি তাদেরকে যা বোঝানো হয় তাই বুঝে। সত্যিকার অর্থে তা নয় । বাংলাদেশের সকল শ্রেনীর জনগনই চুড়ান্ত দৃষ্টিতে সচেতন।
আজকের জনগন সবই বুঝে কিন্তু চুপচাপ আছে কারন জনগন বুঝেগেছে আজাইড়া সময় নষ্ট করে লাভ নাই। বলতে পারেন কেন তারা বিএনপির ওপর বিশ্বাস করবে? বিএনপি কি এমন করেছে তাদের বিশ্বাসের মর্যদা রক্ষা করতে পেরেছিলো?
জনগন যুগযুগ ধরে দেখে আসছে। তারা সামান্ত যুগ দেখেছে, বৃটিশ শাষোনামল দেখেছে,
পাকিস্তানের আইয়ুব , ইয়াহিয়া, টিক্কা, জিয়া, এরশাদের মত স্বৈর শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে যে দল এনেছে বিজয় ,তারা
কোন সাম্রাজ্যবাদের হুমকিতে ভয় পায় না?
৭১ বাঙ্গালী রক্ত দিয়েছে তবুও পরাজিত হয়নি ,৭৫ এর কালো রাতে সেই পাকিস্তানীদের মিত্র হায়নারা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে রক্ত ঝড়িয়ে দেশক করেছে কলঙ্কিত,সেই হায়নাদের ডিএনএ হতে তৈরী বিএনপি জামাতের কুলাঙ্গার রা ,,,,আর কত রক্তের বিনিময়ে এ জাতির বিবেক জাগ্রত হবে?বিএনপি জামাতের হায়নারা
বাংলাদেশের শত্রু আমেরিকা যা জন্মসুত্র থেকে এটা আমাদের সবারই জানা।
যারা জিও পলিটিক্স বুজেন তারাই ভালো বলতে পারবেন কেন আমেরিকা বাংলাদেশকে নিয়া তারা প্রভাব বিস্তার করতে চায়। কারন শেখ হাসিনার সরকার জনগনের কথা বলে এবং দেশকে নিয়ে গিয়েছে সন্মানের সবচেয়ে উচ্চু স্থানে যা আমেরিকা কোনো অবস্থায় সয্য করতে পারছে না। মিথ্যা অপপ্রচার করে গুজব ছড়াচ্ছে। মানোবতার কথা বলে। আমি বলতে চাই আমেরিকায় কি মানোবতা আছে ওরা মানোবতার কি বুজে। পৃথিবীর সবচেয়ে সন্ত্রাসী দেশ হচ্ছে আমেরিকা।
যে দেশ মানোবতা নিয়ে এতো বড় বড় কথা বলে সেই দেশে কি মানোবতা আছে। মিথ্যা ও নোংরা রাজনীতি ফুল জুড়ি এখন আর কোনো দেশের জনগন শুনতে চায় না । যদি থাকতো সেই দেশ আমাদের খুনিদের কে ফিরত দেয় নাই কেন?
আপনিরা এখন টিভি খুললেই দেখবেন বিদেশিদের তৎপরতা অনেক বেশি।
তারা আমাদেরকে মানোবতার গান শুনায়। তাই আমি আপনাদেরকে একটা মানোবতার গান শুনাই।
১৯৭১ সালে আপনিরা জানেন ৩০ লক্ষ সহিদ হলো দূই লক্ষ মা বোনদের সংগম হানি করে হত্যা করা হলো। । এখন পর্যন্ত আমাদের সেই মানোবতা হত্যার সৃকৃতি এখনো দেয় নাই। কি দূঃখ জনক এবং লজ্জা জনক।আমরা অনেক সভা সেমিনার করেও বলা হয়েছে। যে গনহত্যার যেনো সৃকৃতি দেওয়া হয়। তারা দেয় নাই। এটাকে যেনো ছাইট কখনো তারা বলে নাই।
২৫শে মার্চ অপরেশন ছার্চ লাইট ক্লিইন হার্ট নামে মানুষকে মেরে ফেলা।
জাতীয় চারনেতা সহ অনেকে জেল হত্যা করে আমাদের নেতাদেরকে মেরে ফেলা।
পরবর্তীতে ৭৫ সালে ১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর সহ পরিবারে মেরে ফেলা হলো
এবং ২১শে আগষ্টে শত শত নেতা কর্মীদের ও মানুষদেরকে মেরে ফেলা এর কোনোটাইকে তারা মানোবতার দিকে আনে নাই । এমনকি রহিঙ্গা ইসুতে তারা বলে নাই। আজকে তারা আমাদেরকে মানোবতার গান শুনায়। তাই আমি বলতে চাই ধীরে বন্ধু ধীরে আগে নিজের চক্রায় তেল দাও। নিজের দেশে মানোবতা ঠিক করো তার পর অন্যন্য দেশে মানোবতার গান শুনাও।কথায় বলে গায়ে মানে না নিজে মোড়ল সেই দিন শেষ। কোথায় ছিলো
পাকিস্তানিদের বর্বরোচিত হামলা দেখেছে, স্বাধীন বাংলাদেশে সৈরাচার দেখেছে, দেখেছে মেজর জিয়াকে, দেখেছে খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র, দেখেছে তারেক জিয়ার ২১ আগষ্টের বর্বরোচিত হত্যাকান্ড -দেখার মধ্য দিয়েই তারা উপলব্ধি করেছে আসলে সুশাষন, গনতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র সহ নানা তন্ত্র। একা খালেদা জিয়া যে সর্বনাশ করেছে তাতে করে বেগম জিয়াকে আর কোনো মানুষ বিশ্বাস করতে পারবেনা। একেক বার আন্দোলন করেছে মানুষ নামের কু মানুষদের ডাকে রাজপথে নেমেছে জীবন দিয়েছে নিরিহ কছিমুদ্দির ছেলে। আগুন সন্ত্রাসী ,পেট্রোল বোমা ,এমন কি তাদের হাত থেকে গরু ছাগল ,ও প্রকৃতিক গাছ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি। ৬৪ জেলায় বোমা মেরে স্লোগান দিয়ে ধাম্বী করে বলেছিল বাংলা হবে আফাগান আমরা হবো তালেবান বাংলার জনগন ভুলে নাই।
বিএনপি ঠিকই তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করেছে কিন্তু কছিমুদ্দির ছেলেরা কছিমুদ্দির ছেলেই আছে। শোষনের রুপ পাল্টাইয়াছে। কিন্তু চরিত্র পাল্টাই না বিএনপির। বিএনপির রাজনীতিবিদরা বলেন জনগনের আস্থা অর্জন করতে হবে, আমি বলবো জনগন কেন আপনার ওপর আস্থা রাখবে??আপনি কি ত্যাগ করেছেন? আপনি কোন ত্যাগ -তো করেননি বরং সেই আমল থেকে জনগনের মাথার ওপর কাঠাল ভেংগে খেয়েছেন, জনগনের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে গুলি চালিয়েছেন। তাই জনগন আর বিশ্বাস করে না বিএনপির কোনো নেতা-নেত্রীকে। তাই জনগন আর স্বপ্ন দেখে না জিয়া পরিবার নিয়ে। নতুন কিছু দেখতে চাই বাংলাদেশ, এবং সেই সুবাদে বাংলাদেশ পেয়েছে তার পরম বন্ধু – বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে যার হাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে নিরাপদ।
সুতরাং -আর কোন অভ্যুত্থান দেখতে চাই না, আর কছিমুদ্দির ছেলেরাও জীবন দিতে চাই না। জনগন এখন শুধু চাই যেভাবে চলছে তার সাথে তালমিলিয়ে চলতে দেশতো ভালোই আছে তবে সমস্যা কিসের? বি এন পি জামাত শিবির চায় না আওয়ামী লীগ সরকার কিন্ত জনগনের দরকার আওয়ামী লীগ সরকার।
আমি এজন্যই বাংলাদেশের জনগনকে সচেতন বললাম যে, জনগন মিথ্যা আদর্শের বুলিতে আর কান দেয় না। জনগন আর বিশ্বাসঘাতকতাই পড়ে দুঃখ পেতে চাই না। অযথা জীবন দিতে চাই না কছিমুদ্দির ছেলেরা।
বাংলাদেশের সকল শ্রেনীর জনগন আসলেই এখন সচেতন এবং চালাক।
জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু।।
-লেখক: -ইকবাল আহমেদ লিটন।
সাবেক ছাএলীগ নেতা
সদস্য সচিব,আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ ও প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক অভিযোগ বার্তা
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST