নিউজ এডিটর
৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

হাসি বিলানোর জাদুকর দুই বাংলার কাঞ্চন মল্লিক ও দিলদার

বিনোদন ডেস্কঃ দুই বাংলার চলচ্চিত্রের ইতিহাসে মানুষকে হাসানোর মতো কঠিন কাজটি যাঁরা সবচাইতে সহজভাবে করেছেন, তাঁদের মধ্যে কাঞ্চন মল্লিক এবং দিলদার নাম দুটি চিরস্মরণীয়। ভৌগোলিক সীমানা আলাদা হলেও, দর্শকদের নির্মল বিনোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা দুজনেই নিজ নিজ ইন্ডাস্ট্রির অবিসংবাদিত সম্রাট। কাঞ্চন মল্লিক: টাইমিং ও শরীরী ভাষার রাজা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রজন্মের সবচাইতে শক্তিশালী কমেডিয়ান অভিনেতা হলেন কাঞ্চন মল্লিক। তাঁর অভিনয় দক্ষতার মূল শক্তি হলো তাঁর অদ্ভুত শরীরী ভাষা (Body Language) এবং তীক্ষ্ণ বাচনভঙ্গি। তাঁর দীর্ঘ ও রোগা গড়নটিকে তিনি হাসির অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করেন। কাঞ্চন মল্লিকের জনপ্রিয়তার শুরু হয়েছিল ‘জনতা এক্সপ্রেস’-এর মতো ছোট পর্দার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে তাঁকে বড় পর্দার অপরিহার্য অঙ্গে পরিণত করে। তাঁর কমিক টাইমিং এতটাই নিখুঁত যে, কোনো সংলাপ ছাড়াও কেবল চোখের চাহনি বা অদ্ভুতভাবে হাঁটাচলার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের হাসাতে পারেন। সিরিয়াস চরিত্রের ফাঁকেও তিনি যখন কমেডি নিয়ে হাজির হন, তখন পুরো দৃশ্যটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তাঁর জনপ্রিয়তা কেবল কমেডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি; সম্প্রতি তিনি খল চরিত্র বা নেতিবাচক চরিত্রেও তাঁর অভিনয়ের গভীরতা প্রমাণ করেছেন। দিলদার: বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের হাসির রাজপুত্র অন্যদিকে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কমেডি মানেই ছিল এক এবং অদ্বিতীয় দিলদার। নব্বইয়ের দশকে এমন কোনো চলচ্চিত্র ছিল না বললেই চলে, যেখানে দিলদারের উপস্থিতি ছিল না। তাঁর অভিনয় দক্ষতা ছিল মাটির কাছাকাছি এবং অত্যন্ত সাবলীল। বিশেষ করে অভিনেত্রী নাসরিনের সাথে তাঁর জুটি ছিল দর্শকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। দিলদারের কণ্ঠস্বর এবং অভিব্যক্তির এক নিজস্ব ধরণ ছিল, যা কেবল তাঁর পক্ষেই সম্ভব ছিল। তাঁর জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাঁকে কেন্দ্র করে ‘আবদুল্লাহ’র মতো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছিল যেখানে তিনি ছিলেন মূল নায়ক। বড় পর্দার মারকাটারি অ্যাকশন বা ট্র্যাজেডির মাঝে দর্শকদের একটু হাফ ছাড়ার সুযোগ করে দিতেন তিনি। ২০০৩ সালে তাঁর প্রয়াণের পর বাংলাদেশের সিনেমায় কমেডি চরিত্রে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আজ দুই দশকেও পূরণ হয়নি। কাঞ্চন মল্লিক এবং দিলদার দুজনেই প্রমাণ করেছেন যে, কমেডি কেবল ভাঁড়ামো নয়, বরং এটি একটি উচ্চমানের শিল্প। কাঞ্চন যেখানে আধুনিক ও বুদ্ধিদীপ্ত কমেডির প্রতিনিধি, দিলদার সেখানে ছিলেন গণমানুষের অন্তরের শিল্পী। তাঁরা দুজনেই তাঁদের মেধা দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, হাসাতে পারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় মানবিক গুণগুলোর একটি। দুই বাংলার চলচ্চিত্রের ইতিহাসে মানুষকে হাসানোর মতো কঠিন কাজটি যাঁরা সবচাইতে সহজভাবে করেছেন, তাঁদের মধ্যে কাঞ্চন মল্লিক এবং দিলদার নাম দুটি চিরস্মরণীয়। ভৌগোলিক সীমানা আলাদা হলেও, দর্শকদের নির্মল বিনোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা দুজনেই নিজ নিজ ইন্ডাস্ট্রির অবিসংবাদিত সম্রাট। কাঞ্চন মল্লিক: টাইমিং ও শরীরী ভাষার রাজা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রজন্মের সবচাইতে শক্তিশালী কমেডিয়ান অভিনেতা হলেন কাঞ্চন মল্লিক। তাঁর অভিনয় দক্ষতার মূল শক্তি হলো তাঁর অদ্ভুত শরীরী ভাষা (Body Language) এবং তীক্ষ্ণ বাচনভঙ্গি। তাঁর দীর্ঘ ও রোগা গড়নটিকে তিনি হাসির অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করেন। কাঞ্চন মল্লিকের জনপ্রিয়তার শুরু হয়েছিল ‘জনতা এক্সপ্রেস’-এর মতো ছোট পর্দার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে তাঁকে বড় পর্দার অপরিহার্য অঙ্গে পরিণত করে। তাঁর কমিক টাইমিং এতটাই নিখুঁত যে, কোনো সংলাপ ছাড়াও কেবল চোখের চাহনি বা অদ্ভুতভাবে হাঁটাচলার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের হাসাতে পারেন। সিরিয়াস চরিত্রের ফাঁকেও তিনি যখন কমেডি নিয়ে হাজির হন, তখন পুরো দৃশ্যটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তাঁর জনপ্রিয়তা কেবল কমেডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি; সম্প্রতি তিনি খল চরিত্র বা নেতিবাচক চরিত্রেও তাঁর অভিনয়ের গভীরতা প্রমাণ করেছেন। দিলদার: বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের হাসির রাজপুত্র অন্যদিকে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কমেডি মানেই ছিল এক এবং অদ্বিতীয় দিলদার। নব্বইয়ের দশকে এমন কোনো চলচ্চিত্র ছিল না বললেই চলে, যেখানে দিলদারের উপস্থিতি ছিল না। তাঁর অভিনয় দক্ষতা ছিল মাটির কাছাকাছি এবং অত্যন্ত সাবলীল। বিশেষ করে অভিনেত্রী নাসরিনের সাথে তাঁর জুটি ছিল দর্শকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। দিলদারের কণ্ঠস্বর এবং অভিব্যক্তির এক নিজস্ব ধরণ ছিল, যা কেবল তাঁর পক্ষেই সম্ভব ছিল। তাঁর জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাঁকে কেন্দ্র করে ‘আবদুল্লাহ’র মতো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছিল যেখানে তিনি ছিলেন মূল নায়ক। বড় পর্দার মারকাটারি অ্যাকশন বা ট্র্যাজেডির মাঝে দর্শকদের একটু হাফ ছাড়ার সুযোগ করে দিতেন তিনি। ২০০৩ সালে তাঁর প্রয়াণের পর বাংলাদেশের সিনেমায় কমেডি চরিত্রে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আজ দুই দশকেও পূরণ হয়নি। কাঞ্চন মল্লিক এবং দিলদার দুজনেই প্রমাণ করেছেন যে, কমেডি কেবল ভাঁড়ামো নয়, বরং এটি একটি উচ্চমানের শিল্প। কাঞ্চন যেখানে আধুনিক ও বুদ্ধিদীপ্ত কমেডির প্রতিনিধি, দিলদার সেখানে ছিলেন গণমানুষের অন্তরের শিল্পী। তাঁরা দুজনেই তাঁদের মেধা দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, হাসাতে পারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় মানবিক গুণগুলোর একটি।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কিশোরগঞ্জে বিয়ের আনন্দের মাঝে ফিল্মি স্টাইলে নববধূ ‘ছিনতাই’-এর অভিযোগ

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম, নতুন মূল্য ২০৪ টাকা

নড়াইলে গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের চেষ্টার অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক

গান্ধীমারা হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সখ্যের অভিযোগ, শাজাহানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৪০.৭৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আটক ২

ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক: সিলেটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সৌদি রিয়াল নিয়ে প্রতারণা , মানিকগঞ্জে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য আটক

১০

বানিয়াজুরী ইউপি নির্বাচন: জনপ্রিয়তার শীর্ষে অ্যাডভোকেট মোঃ ইউসুফ আলী

১১

রাজবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তার ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানির মামলায় তিন আসামী গ্রেফতার।

১২

জিয়া ‍উদ্যানের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩

ভারতকে আরও পাচঁটি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দিতে চায় রাশিয়া

১৪

যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

১৫

শালগাঁও কালিসীমা স্কুল এন্ড কলেজে তরী বাংলাদেশের বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ।

১৬

লাহিড়ীতে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ: মেয়ের বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে টাকা-স্বর্ণ লুটের অভিযোগ

১৭

ভোলা দৌলতখান মোস্তফা কামাল লঞ্চঘাট সড়কে ভাঙন, প্লাবিত এলাকা—দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা

১৮

ময়মনসিংহে সমন্বয় সভায় বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি

১৯

কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট

২০

Design & Developed by BD IT HOST