
ইকবাল আহাম্মদ লিটন, বি এন পি এক হেবি ওয়েট নেতার সাথে অপ প্রচার নিয়ে তুমুল আলোচনা তর্ক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তাকে বলেছিলাম বাংলাদেশের ইতিহাস সমন্ধে কতোটুকু জানেন। আগে জানুন তারপর কথা বলুন মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধ করুন।
সারাক্ষণ বিএন পি জামাত শিবির এবং দেশের বিরোধী শক্তি সবসময় বলত এই চুক্তি করে দেশটা ইন্ডিয়ার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এ কথাও বলতো গোলামী চুক্তি, দেশ বিক্রি চুক্তি ,বলে অপপ্রচার করত।আমি তাদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই ,আমার লেখাটা পড়ে মন্তব্য করবেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতা এসে যখন ঐ ঐতিহাসিক চুক্তি বাস্তবায়ন করলেন ,তার ফল কি হইয়াছে তা আমরা অনেকই জানি না। জানা দরকার।
বি এন পি জামাত শিবিরের ভাইরা যদি আমার লেখাটা পরে থাকেন। তাদের উদ্দেশ্য অবগত করতে চাই।
বাংলাদেশের সেই সিট মহল অংশ কতটুকু পেলো বাংলাদেশ ,তা কি আপনিরা জানেন। না জানলে এবা জেনে নিন।
বাংলাদেশ পেয়েছে ১৭ হাজার১০০শত ৬০ একর জমি। আর ভারত পেয়েছে ৭ হাজার ১০০শত ১০একর জমি। তা হলে আমার প্রশ্ন কে বেশি পেয়েছে। এটা আমার পেট বানানো মন গড়া কথা নয়। এতে হলো কি ঐ ছিট মহলের ৫৫ হাজার লোক বসবাস করত যারা কোনো দিন বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে পরিচয় দিতে পারতো না। আজ তারা এখন আল্লাহর কাছে দূ হাত তুলে মুনাজাত করে বলে, বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হায়াত দেরাজ করিও কারন তিনি আমাদেরকে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে বসবাস করার সুযোগ করে দিয়েছেন। দেখবেন এখন কিন্ত এই কথাটা আর বলে না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনে আজ কাল বঙ্গপসাগর নিয়েও অনেক কথা উঠেছে। এমন কি জন কন্ঠে ৬ পৃষ্ঠায় একটা নিউজ পাবেন। আর সেই নিউজটা হলো
,,রাশিয়া এবং ইউক্রেনে খাদ্য শ্বস্য নিয়ে যে একটি চুক্তি ছিল ,রাশিয়া সেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। ঐ খাদ্য শ্বস্য যে সাগর দিয়ে যেতো সেই সাগরের নাম ছিল কৃষ্ণসাগর। এ কথাটা আমি এই কারনে লেখলাম যে বর্তমানে সাগরের গুরুত্বটা আজ অনেক অনেক বেশি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে ,মায়নমারের বিরোদ্ধে একটা মামলা করেছিলো আন্তর্জাতিক সমুদ্র আদালতে মনে আছে আপনাদের।
যেখানে ৫ জন জর্জ ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুটনৈতিক সফলতার কারনে মায়ানমারের কাছ থেকে আমরা কতটুকু সমুদ্র সিমানা পেয়েছি। বি এন পি ভাইরা যদি পারেন লিখে নেন। মায়ানমারের কাছ থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬০০শত ৩১বর্গ কিলোমিটার। এখন দেখেন বাংলাদেশের আয়তন কত ,১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫০০শত ৭০ স্কুয়ার বর্গ কিলোমিটার তা হলে মায়ানমারের কাছ থেকে আমরা সমুদ্র সিমানা পেলাম ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬০০শত ৩১বর্গ কিলোমিটার।
এখানেই কি শেষ ,এখানেই শেষ নয় ভারতের সাথে আমাদের যে সমুদ্র সমুদ্র সিমানার বিরোধ ছিল ,এটার পরিমান ছিল, ২৫ হাজার ৬০০শত ২ বর্গ কিলোমিটার জমি নিয়ে যেহেতু বাংলাদেশ যদি জমিটা পায় তা হলে বাংলাদেশের মানুষ পাবে। সেই জন্য পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী যখন ফিরোজ খান নুর ছিল।তিনি একবার মাত্র ৫০ এর দর্শকে এ কথাটা বলেছিল এর পর পাকিস্তান আর কোনদিন দাবি করে বলেন নাই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে ও মামলা করে ছিলেন। সেখানে ও ৫ জন জর্জ ছিলেন ,একজন ছিলেন ভারতের বংশ বোধ তিনি শুধু সিংগেল রায় দিলেন ভারতের পক্ষে ,আর বাকি চারজন রায় দিলেন বাংলাদেশের পক্ষে ইন্টারন্যাশনাল আদালতে। বাংলাদেশ রায় পেলো ১৯ হাজার ৪০০শত ৬৭ ইস্কুয়ার কিলোমিটার ,,আর ভারত পেলো ৬ হাজার ১০০শত ৩৫ বর্গ কিলোমিটার তা হলে আমরা বেশি পেলাম কত ১৩ হাজার ৩০০শত ৩২কিলোমিটার এখানে ও আমরা ভারত থেকে সমুদ্র সিমানা বেশি পেলাম।
এই জন্য বলেছি বি এন পি সেই নেতাকে আগে বাংলাদেশের ইতিহাস জানুন। আর কত অপপ্রচার করবেন। বাংলার জনগন এখন আপনাদের এই অপপ্রচার মিথ্যার বানি কেউ শুনে না। দেশটা আমাদের সবাইর। আসুন সবাই মিলে দেশটাকে সোনার বাংলা গড়ে তুলি।
লেখক পরিচিত ঃ সাবেক ছাত্র লীগ নেতা ইকবাল আহামেদ লিটন ,
ও অভিযোগ বার্তার প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST