
সিলেট ব্যুরো : লাকী আক্তারসিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্যসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। এ সময় মো. আবুল কাশেম (৪৮) নামের এক ট্রাকচালককে গ্রেফতার করা হয়।সোমবার (০২ নভেম্বর ২০২৬) ভোরে এয়ারপোর্ট থানাধীন কেওয়াছড়া ব্রিজ সংলগ্ন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার এসআই (নিঃ) অর্জুন চৌধুরী সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করছিলেন। এ সময় পুলিশের সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টাকালে বালুভর্তি একটি টাটা (TATA) খোলা ট্রাককে (রেজি নং- ঢাকা মেট্রো-ট-২২১২০৯) সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। পরে ট্রাকে থাকা চালক মো. আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মো. আবুল কাশেম নোয়াখালী জেলার চাটখিল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ফতেপুর গ্রামের মৃত আ. মান্নান মমিন ও রাহেলা বেগমের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঢাকার কদমতলী থানার রায়েরবাগ এলাকার হোল্ডিং নং-২০০/৮-এ আব্দুল সালামের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।পুলিশ আরও জানায়, আটকের পর ট্রাকটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বালুর নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে—Gardour SAFARI চকলেট, SOBISCO বিস্কুট, BENZO চকলেট, Nestle Munch চকলেট, Classic Soan Papdi এবং Amul Cool জুস। জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য ও ট্রাকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা।
এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (The Special Powers Act, 1974) ২৫বি(১)(বি)/২৫ডি ধারায় একটি নিয়মিত মামলা (নং-০৪, তারিখ- ০২/১১/২০২৬ খ্রি.) রুজু করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামি’কে যথাযথ পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST