
অনলাইন ডেস্কঃ
রেঞ্জ অর্ডার মাত্র ৫ লক্ষ টাক, রেঞ্জ সহযোগী অর্ডার মাত্র ৩ লক্ষ টাকা।এইভাবেই মাত্র গত কয়েক দিনে আনুমানিক মাত্র ১৫ লক্ষ ঘু’ষে’র টাকা নিয়ে নিজে এলাকায় চলে যান এই ডিএফও তৌফিকুল ইসলামনামে বেনামে থাকা ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করা হলে কর্মকর্তারত সময় থেকে আজ পর্যন্ত সব সত্য বের আসবে।
এ ডিএফও বন বিভাগ বান্দরবান বিভাগে বিভাগীয় কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে উম্মক্তভাবে দর ঘষাঘষির মধ্য দিয়ে অর্ডার করে থাকেন।
এসব দু’র্নী’তি গণমাধ্যম প্রকাশ করলে মোটা অংকের অর্থে ধামাচাপা দেন।সেই হিসেবে গত কিছু দিন আগেও একটি প্রকাশিত সংবাদ মাত্র ৫ লক্ষ টাকায় ধামাচাপা দেন।
বর্তমান চট্টগ্রাম বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে কর্মরত বন সংরক্ষক ২২তম (বিসিএস) এবং বান্দরবানের ডিএফও ২২তম (বিসিএস) হওয়াতে তাদের ব্যক্তিগত একটা সম্পর্ক রয়েছেন। এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে বন ধ্বংস এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের থেকে ইচ্ছেমতো ঘুষ বানিজ্য’র উম্মক্ত মেলা বসান।
মেলায় গত ৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে বিভাগীয় কার্যালয়ে এক বিতর্কিত ফরেস্টার কে রেঞ্জ সহযোগী হিসেবে অর্ডার করার জন্য ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ হিসাবে দাবী করা হলে উক্ত ফরেস্টার ডিএফও’র দাবীকৃত ৩ লক্ষ টাকা বুঝিয়ে দেন।ডিএফও টাকা পেয়ে গত ১১ আগস্ট তাকে রেঞ্জ সহযোগী হিসেবে করা অর্ডার কপিতে স্বাক্ষর করে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। গত ১২ আগস্ট বিশ্ব হাতি দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান শেষে আজ কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার কথা হলেও তিনি গতকাল এক বিমানের যাত্রী হয়ে নিজ বাড়ীতে চলে যান এবং বর্তমান অবস্থানও করেছেন নিজ বাড়ীতে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বিষয়টি তদন্ত করে ডিএফও’র ঘু’ষ বানিজ্য বন্ধ করে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বাধীন ভাবে সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা করে দিবেন বিস্তারিত আসছে
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST