
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা:
নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের নিয়মে অফিস করার অভিযোগ উঠেছে কোটচাঁদপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত অফিস টাইম হলেও,তিনি অফিসে আসেন ১০ টায় বের হয়ে যান ১২ থেকে ১ টার মধ্যে। রবিবারও ১০ টা এসে বেরিয়ে যান ১২.৩০ মিনিটে। এতে করে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার সেবা গ্রহিতারা।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিস টাইম সকাল ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত। এরমধ্যে কোন কর্মকর্তা কর্মচারী যদি স্টেশন ত্যাগ করেন,সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। এ কর্মকর্তা সে সব নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অফিস করেন নিজের নিয়মে। সম্প্রতি বিষয়টি অবহিত করা হয় ঝিনাইদহের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিলকিস আফরোজকে। এরপর কয়েকদিন অফিস টাইম মেনে চললেও আবারও চলছে নিজের নিয়মে। এ ছাড়া তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার ৬/৯ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন। সে কারনে ওই সব ওয়ার্ডের মানুষেরা সেবা নিতে আসেন প্রতিনিয়ত ওই অফিসে। তবে তিনি নিয়ম মেনে অফিস না করায়, পৌরসভার মানুষদের হয়রানির শিকার হতে হয় প্রতিনিয়ত।
রবিবার দুপুরে সেবা নিতে আসেন কোটচাঁদপুর ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা। ওই কর্মকর্তাকে অফিসে না পেয়ে মোবাইলে কথা হয় ভুক্তভোগীর। তিনি তাকে বলেন, অফিসের কাজে তালসার গ্রামে আছি। আপনার কাগজপত্র অফিসে রেখে যান,আমি এসে স্বাক্ষর করে রাখবো,আপনি কাল এসে নিয়ে যাবেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তালসার গ্রামে রবিবার দুপুরে কোন অফিসিয়াল প্রগ্রাম ছিল না ওই কর্মকর্তার । ওই সময় তিনি ঝিনাইদহে যাবার জন্য কোটচাঁদপুর কলেজ বাসস্ট্যান্ডে ইজিবাইকে ওঠার অপেক্ষায় দাড়িয়ে ছিলেন। যার ছবি ধরা পড়েন এ প্রতিবেদকের কামরায়। পরে তিনি ইজিবাইকে উঠে বওনা দেন ঝিনাইদহ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিলকিস আফরোজ বলেন,প্রজ্ঞাপন অনুয়ায়ী অফিস টাইম তো ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত। ওনি ওই সময় স্টেশন ত্যাগ করতে হলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কাউকে অবহিত করতে হবে। তিনি তো এ ব্যাপারে আমাকে কিছুই বলেননি। ঘটনা তিনি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আনিসুল ইসলামের মোবাইল বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST