
ব্যুরো প্রধান সিলেট,লাকী আক্তারঃ
সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে রীতিমতো তোলপাড় চলছে কোতোয়ালি থানা এলাকায় দায়েরকৃত চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরক মামলা (সি.আর মামলা নং-৭৫১/২০২৫) ঘিরে পুরো জেলা জুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক এমপিসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক হেভিওয়েট নেতাকর্মীকে আসামি করার পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে তাদের অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ সুএে জানা গেছে মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার আদালতের নির্দেশের পর থেকেই সিলেটে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মামলার প্রধান আসামিরা সবাই বর্তমানে এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পুলিশের গ্রেফতারি অভিযান এড়াতে অনেকেই মোবাইল ফোন বন্ধ করে গোপন আস্তানায় অবস্থান নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। পুলিশ পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালানো শুরু করেছে।
মামলার প্রধান আসামিদের তালিকা:
মামলার নথিপত্র (3640.jpg, 3636.jpg) অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
মো. ইমরান আহমদ (সাবেক মন্ত্রী, সিলেট-৪)
শফিকুর রহমান চৌধুরী (সাবেক এমপি, সিলেট-২)
হাবিবুর রহমান হাবিব
আ. ন. ম. ওহিদুজ্জামান চৌধুরী
ইকবাল হোসেন
শাহাব উদ্দিন (সাধারণ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ)
আবুল হোসেন
তবারক আলী
নজরুল শিকদার
আলিম উদ্দিন
আলীম (যুবলীগ নেতা)
এজাজ মিয়া (যুবলীগ নেতা)
আব্দুল্লাহ ওরফে বাবলু
অজিউর রহমান
মতিলাল নাথ
মোঃ বাবরুল ইসলাম বাপ্পি,(২২),পিতা -মোঃ নজরুল ইসলাম, থানা – দক্ষিণ সুরমা,জেলা- সিলেট, সহ -সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।
মোঃ আনোয়ার হোসেন( ৪০) পিতা – আইদেক আলী, গ্রাম :গুপিনাথ পুর, আলমপুর, পোস্ট ‘জাহিদপুর বাজার, থানা-ছাতক, জেলা – সুনামগঞ্জ সহ মোট ১৪৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা শতাধিক। আসামিদের পূর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা এবং বিস্তারিত তালিকা 3633.jpg, 3635.jpg, 3638.jpg এবং 3641.jpg ফাইলে সংরক্ষিত রয়েছে, যাদের প্রায় সবাই বর্তমানে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ ও আইনি প্রক্রিয়া:
গত ১৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে সংঘটিত একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী মো. বায়েজিদ আলমের আবেদনের পর বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত-০১, সিলেট মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানাকে নির্দেশ দেন। মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট বিস্তারিত জানা যায় 3639.jpg এবং 3634.jpg ফাইল থেকে।
আদালতের দেওয়া আদেশের কপি এবং পরবর্তী আইনি দিকনির্দেশনা 3637.jpg এবং 3636.jpg নথিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST