বিনোদন ডেস্কঃ
অভিনেত্রী চম্পা সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। পুরোনাম গুলশান আরা আক্তার চম্পা জন্ম ৫ জানুয়ারি, ১৯৬৫ (বয়স ৬০ বছর)তিনি তারকা পরিবারের সদস্য। বড় দুই বোন সুচন্দা ও ববিতা বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী।
এছাড়া চিত্রনায়ক ওমর সানী তাঁর ভাগ্নে ও চিত্রনায়ক রিয়াজ তাঁর চাচাতো ভাই। তবে পরিবারের পরিচয়ে নয়, তিনি উজ্জ্বল তাঁর নিজস্ব অর্জন আর জনপ্রিয়তায়। গুলশান আরা আক্তার চম্পা, সংক্ষেপে চম্পা নামেই সবার কাছে পরিচিত তিনি।গুলশান আরা আক্তার চম্পা ১৯৬৫ সালের ৫ জানুয়ারি যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। চম্পার পিতা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী আর মা ছিলেন একজন ডাক্তার।আর তাঁর স্বামী শহীদুল ইসলাম খান, মেয়ের নাম ইশা।চম্পার শিক্ষাগত আইএসসি। তবে পরিবারের পরিচয়ে নয়, তিনি উজ্জ্বল তাঁর নিজস্ব অর্জন ও জনপ্রিয়তায়।শোবিজ জগতে চম্পার অভিষেক হয় একজন মডেল হিসেবে। এরপর টিভি নাটকে কাজ করেছেন। সেখানে পেয়েছেন সাফল্য। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে পরিচালক শিবলী সাদিক পরিচালিত “তিন কন্যা” নামে সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। শিবলী সাদিক পরিচালিত”তিন কন্যা” সিনেমার মাধ্যমে চম্পা চলচ্চিত্রের জগতে আগমন করেন। এই সিনেমাতেই তাঁরা তিন বোন সুচন্দা,ববিতা ও চম্পা একত্রে অভিনয় করেন।প্রথম সিনেমা দিয়েই নজর কাড়েন ইন্ডাস্ট্রির। এরপর ধীরে ধীরে দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কাজ করতে থাকেন একের পর এক সফল সিনেমায়। তিনি সত্যজিৎ রায়ের ছেলে সন্দ্বীপ রায়ের “টার্গেট” সিনেমা ও বুদ্ধদেব দাশ গুপ্ত – এর “লাল দরজা” সিনেমাতে অভিনয় করার সুযোগ পান।গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’চলচ্চিত্রটি ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় মাপের কাজ। তিনি তাঁর ১২ বছরের ফিল্ম ক্যারিয়ারে প্রায় ১০০ টির বেশি সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে তিনি পর্দায় অনুপস্থিত আছেন।
চম্পা তাঁর বর্ণাঢ্য ফিল্ম ক্যারিয়ার জীবনে পেয়েছেন বহু সম্মাননাও।তিনি পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩),অন্য জীবন(১৯৯৫) এবং উত্তরের খেপ (২০০০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ‘শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী’ বিভাগে তিনটি এছাড়াও “শাস্তি”(২০০৫) ও”চন্দ্রগ্রহণ” (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে’শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী’ বিভাগেও দুইটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST