গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ
সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তামাবিল স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দাবি, এই চক্রের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে স্থবির হয়ে পড়েছে এলাকার স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম।
স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, এই চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক বা মুরব্বি হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন ডেবিল ফকরুল এবং গডফাদার হিসেবে পরিচিত শাহপরান। তাদের ইশারায় পরিচালিত এই চক্রে আরও যুক্ত রয়েছেন ডেবিল মাফিজ ও ডেবিল সারব। এছাড়া কাসেম নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির পাশাপাশি মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মানবপাচারকারী ‘পাগলা মন্নান’ (যিনি বাবলার বাবা নামে পরিচিত) এবং তার জামাতা, জৈন্তাপুর উপজেলা তাঁতী দলের আহবায়ক মিসবাহ এই সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা জানান, ১৭ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির আশে পাশেও ছিলেন না এমন অনেক ব্যক্তি এখন ভোল পাল্টে নিজেদের বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এই তালিকায় লিপুর নাম জোরালোভাবে উঠে এসেছে। এছাড়া এই চক্রে সক্রিয় রয়েছে রাসেল ও ইসমাইলের মতো আরও বেশ কিছু ব্যক্তি, যারা প্রতিদিন তামাবিল এলাকা থেকে অবৈধ উপায়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে তামাবিল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী এবং পরিবহন শ্রমিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবিলম্বে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপে এই চাঁদাবাজ ও মানবপাচারকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST