
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন রহিমের ওপরে হামলায় ১৫ জনকে আসামী করে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় মামলা হয়েছে।
জানা যায় গত ২১ মে সিলেট নগরীর পশ্চিম পীর মহল্লা
জামে মসজিদে রাত ১০ টার সময় পীর মহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির মিটিং শেষে নাসির উদ্দীন রহিম বাসায় যাওয়ার সময় মসজিদ থেকে বেড়িয়ে রাস্তায় আসার পরেই তার ওপর সন্রাসীরা দেশীও অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।এসময় তার চিক্কারে আসপাশের মানুষ জড়ো হন।এবং নাসির উদ্দীন রহিমকে আহত অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় সিলেট নগরীর পশ্চিম পীর মহল্লায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু সন্রাসীরা মাদক তীর জোয়া পতিতা ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানার ওপেন ডে হাউজে অভিযোগ করলে নাসির উদ্দীন রহিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয় পীর মহল্লার স্থানীয় সন্রাসীরা।
এর পরেই সন্রাসী সেলিম মিয়া ওরফে লেংড়া সেলিম এর নেতৃত্বে নাসির উদ্দীন রহিমের ওপর হামলা করে সন্রাসী সেলিম ও তার সংঘবদ্ধ দল।হামলার ঘটনায় ২৩ মে নাসির উদ্দীন রহিম বাদী হয়ে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।
আসামীরা হলেন তেরা মিয়ার ছেলে সেলিম ওরফে লেংড়া সেলিম ২) মৃত সাহাবুদ্দীনের ছেলে এমদাদুল ইসলাম মিজান ওরফে তীর মিজান ৩) মো আজিজুর রহমানের ছেলে সামাদ হোসেন ৪) গোলাম রব্বানী রাফি ৫) সিফত মিয়ার ছেলে শরীফ ৬) তোফাজ্জল হোসেনসহ আরো ৮ জন।
নাসির উদ্দীন রহিমকে আহত অবস্থায় সন্রাসীরা নাসির উদ্দীন রহিমের সাথে থাকা মোবাইল ও নগদ অর্থ সহ প্রায় এক লাখ ষাট হাজার টাকা লুট করেছে বলে জানাযায়।
এদিকে সিলেট মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন রহিমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল নেতৃবৃন্দে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদুর রহমান জানিয়েছেন যুবদল নেতা নাসির উদ্দীন রহিমের ওপর হামলার ঘটনায় এখনো কোনো আসামী আটক হয়নি তবে আমরা আসামীদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST