
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে এক কলেজছাত্রীকে (১৯) কৌশলে অপহরণ করে কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে বিয়ের নাটক সাজিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এরপর ভুক্তভোগীকে একটি আবাসিক ভবনে আটকে রেখে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কলেজপড়ুয়া ওই তরুণীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক কাজী অফিসে বিয়ে সম্পাদন করানো হয়। বিয়ের নামে এই প্রতারণার পর তাকে একটি আবাসিক ভবনে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ফলে ভুক্তভোগী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে।
এই ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের পরপরই সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ দ্রুত তৎপরতা চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার (Medical Test) প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলেও ঘটনার সাথে জড়িত অন্য সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমন অমানবিক ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীর পরিবার এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by BD IT HOST